ক্রাইস্টচার্চে সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫৩১ রানের বিশাল টার্গেট দিয়ে জয়ের পথেই ছিল নিউজিল্যান্ড। এ রান তাড়া করতে নেমে শুক্রবার চতুর্থ দিন ৪ উইকেটে ২১২ রান তুলে মাঠ ছাড়ে অতিথিরা। আজ শনিবার পঞ্চম ও শেষ দিন ৬ উইকেট হাতে নিয়ে তাদের করতে হতো ৩১৯ রান। এই রান তুলতে না পারলেও রোমাঞ্চকর এক ড্র উপহার দেয় ক্যারিবীয়রা, যা তাদের জন্য জয়েরই সমান। আজ আরো ৮৯.৩ ওভার ব্যাটিং করে ৬ উইকেটে ৪৫৭ রান তুলেছে অতিথি দলটি। হার না মানা ডাবল সেঞ্চুরি করে কিউইদের হতাশ করেন জাস্টিন গ্রিভস।
টেস্টের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তোলার কৃতিত্ব দেখিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৯৩৯ সালে ডারবান টেস্টে ৬৯৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে এক ডাবল ও দুই সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫ উইকেটে ৬৫৪ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড। সেটাই এখন পর্যন্ত টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ স্কোর। তাদের পরেই এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সপ্তম উইকেট জুটিতে ৪১০ বল মোকাবেলা করে ১৮০ রান যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অভাবনীয় ড্র এনে দেন গ্রিভস ও কেমার রোচ। অভিজ্ঞ পেস বোলার রোচ আজ দলের প্রয়োজনে ধৈর্যশীল ব্যাটারের ভূমিকা পালন করেন। তিনি ২৩৩ বল মোকাবেলায় ৫৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩৮৮ বলে ১৯ বাউন্ডারির সাহায্যে ২০২ রান করে অপরাজিত থাকেন গ্রিভস।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটাকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন ৩১ বছর বয়সী গ্রিভস। গত বছর নভেম্বরে নর্থ সাউন্ডে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করে ১১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এবার অপরাজিত থাকলেন ২০২ রানে! অন্যদিকে, ৮৬ টেস্টের ক্যারিয়ারে এটাই কেমার রোচের প্রথম ফিফটি।
শাই হোপ ১১৬ ও জাস্টিন গ্রিভস ৫৫ রানে অপরাজিত থেকে শুক্রবার চতুর্থ দিন মাঠ ছাড়েন। আজ সকালে হোপ ১৪০ রানে আউট হয়ে গেলে কিউইদের জয়ের আশা জেগে ওঠে হয়তো। এরপর টেভিন ইমলাচও (৪) দ্রুত আউট হয়ে গেলেন। তবে কিউইদের আর কোনো সুযোগই দেননি গ্রিভস আর রোচ। অনবদ্য ব্যাটিং করে তারা স্বাগতিক দলটিকে হতাশ করেন।
এর আগে ৮ উইকেটে ৪৬৬ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫৩১ রানের বিশাল টার্গেট ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড।










