লর্ডসে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ শনিবার চতুর্থ দিন ২৮.৪ ওভারে আরো ৩ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় ৬৯ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে প্রোটিয়ারা।
আইসিসি ইভেন্টে শিরোপা খরা ঘুচালো দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯৮ সালে ঢাকায় উইল ইন্টারন্যাশনাল কাপ (বর্তমানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি) জিতেছিল হ্যান্সি ক্রোনিয়ের দল। এরপর ছিল প্রোটিয়াদের হৃদয় ভাঙার অসংখ্য গল্প। ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাঁচবার করে সেমিফাইনালে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একবার ফাইনালে হেরেছে তারা। এতবার কাছে গিয়েও হেরে যাওয়ায় ক্রিকেটের ‘চোকার্স’ নাম পেয়ে যায় দলটি। অবশেষে আইসিসি ইভেন্টে শিরোপার হাসি হাসল প্রোটিয়ারা।
৮ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ দুই দিনে ৬৯ রানের প্রয়োজন ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া বলে আর দলটির নাম দক্ষিণ আফ্রিকা বলেই এ অবস্থায় তেম্বা বাভুমার হাতে শিরোপা তুলে দেয়া যাচ্ছিল না। কারণ অজিরা শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে। আজও তাই হলো। সকালে দ্রুতই তেম্বা বাভুমাকে ফেরান প্যাট কামিন্স। এরপর ত্রিস্তান স্টাবসকে বোল্ড করে লড়াই জমিয়ে তোলেন মিচেল স্টার্ক।
দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা। তখন বুক চিতিয়ে লড়ে সেই চাপ থেকে প্রোটিয়াদের বের করে আনার চেষ্টা করে যান এইডেন মারক্রাম ও ডেভিড বেডিংহ্যাম। দলটি জয় থেকে ১৪ রান দূরে, এমন সময় জস হ্যাজেলউকে এক ওভারে পরপর দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে পরস্থিতি নিজেদের অনুকূলে নিয়ে যান আত্মবিশ্বাসী মারক্রাম। ওই ওভারের শেষ বলে মিডউইকেটে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে মারক্রামকে ফেরান ট্রাভিস হেড। ২০৭ বলে ১৪ বাউন্ডারিতে ১৩৬ রানের বীরত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন ওপেনার মারক্রাম।
পঞ্চম উইকেট পতনের পর প্রচণ্ড স্নায়ুচাপ থাকলেও কাইল ভেরাইনাকে (৪*) নিয়ে ৬ রান তুলে দলের জয় নিশ্চিত করেন বেডিংহ্যাম (২১*)।










