মনে হচ্ছিল মার্ভেল তাদের মন্দা কাটিয়ে ফেলেছে। কেননা ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’ মুক্তির পর পরই আয় করেছিল তুলনামূলক বেশি। মার্ভেলের সাম্প্রতিক সিনেমার ব্যবসা এটি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে এখন প্রশ্ন উঠছে। কেননা দ্বিতীয় শুক্রবারে সিনেমাটির আয় পড়ে গেছে। মুক্তির দ্বিতীয় শুক্রবার সিনেমাটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আয় করেছে ১ কোটি ১৭ লাখ ডলার। এর মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে অভিষেকের তুলনায় ৮০ শতাংশ পড়ে গেছে ফ্যান্টাস্টিক ফোরের আয়। পূর্বাভাস বলছে, এভাবে চলতে থাকলে দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে আয় হবে সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ থেকে ৫ কোটি ডলার।
এ হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, ফ্যান্টাস্টিক ফোর তার প্রথম সপ্তাহ ও দ্বিতীয় শুক্রবার মিলে আয় করেছে ১৭ কোটি ডলার। দ্বিতীয় সপ্তাহ শেষে আয় দাঁড়াবে ১৯ কোটি ডলারের কিছু বেশি। অর্থাৎ ২০ কোটি ডলারে নির্মিত সিনেমাটি দুই সপ্তাহেও এর নির্মাণ খরচ তুলতে পারছে না।
তবে সিনেমাটির ভালো আয় ধরে রাখা উচিত ছিল। কেননা এ সিনেমার আশপাশে বড় কোনো সিনেমা মুক্তি পায়নি। এ সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া তিনটি সিনেমা হলো ইউনিভার্সালের ‘দ্য ব্যাড গাইজ টু’, প্যারামাউন্টের ‘দ্য নেকেড গান’ ও নিয়নের বডি হরর থ্রিলার ‘টুগেদার’। এর মধ্যে ব্যাড গাইজ আয় করেছে ৯১ লাখ ডলার। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৮৫২টি পর্দায়। ধারণা করা হচ্ছে, সপ্তাহ শেষে সিনেমাটির আয় দাঁড়াবে ২ কোটি ২০ লাখ ডলারে। অন্য দুটো সিনেমার আয় এর চেয়ে কম।
এ প্রসঙ্গে আবারো আসে সুপারহিরো ‘ফ্যাটিগ’-এর কথা। কেননা সুপারম্যান ভালো করলেও এর আয়ও এখন সে হিসেবে অনেক পড়তির দিকে। মাস শেষ করে গত শুক্রবার সিনেমাটি আয় করেছে মাত্র ৪০ লাখ ডলার। এ সবকিছুর মধ্যে হলিউডকে নতুন করে ভাবতে হবে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। মার্ভেল এরই মধ্যে নতুন করে ভাবছে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










