টার্মিনেটর ভক্তদের জন্য সুখবর হচ্ছে, আগামী ১ নভেম্বর মুক্তি পেতে যাওয়া টার্মিনেটর: ডার্ক ফেটে টি-৮০০ এবং সারাহ কোনার চরিত্র দুটি ফিরছে। এ দুই চরিত্রে আছেন যথাক্রমে আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ও লিন্ডা হ্যামিলটন
আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার জীবন শুরু করেছিলেন বডি বিল্ডার হিসেবে। মাত্র ২০ বছর বয়সেই জিতে নিয়েছিলেন ‘মি. ইউনিভার্স’
খেতাব। বডি বিল্ডিংয়ের সবচেয়ে বড় অ্যাম্বাসেডর বিবেচনা করা হয় তাকে। তার এই ‘পেশিবহুল’
ইমেজই প্রভাব বিস্তার করে প্রথম চলচ্চিত্র কোনান দ্য বারবারিয়ান (১৯৮২)-এ। এখন ৭২ বছর বয়সী আর্নল্ড মনে করেন ১৯৮৪ সালে শুরু হওয়া টার্মিনেটর ফ্র্যাঞ্চাইজি তার জীবন ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
টার্মিনেটর ভক্তদের জন্য সুখবর হচ্ছে ১ নভেম্বর মুক্তি পেতে যাওয়া টার্মিনেটর: ডার্ক ফেটে টি-৮০০ এবং সারাহ কোনার চরিত্র দুটি ফিরছে। এ দুই চরিত্রে আছেন যথাক্রমে আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার ও লিন্ডা হ্যামিলটন। সেই টার্মিনেটর টু: জাজমেন্ট ডে (১৯৯১)’র মুক্তির ২৭ বছর পর ফিরছে টি-৮০০ ও সারাহ কোনারের চরিত্র দুটো। টার্মিনেটর:ডার্ক ফেট পরিচালনা করছেন ডেডপুল খ্যাত টিম মিলার। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন জেমস ক্যামেরন ও ডেভিড এলিসন এবং এটি মুক্তি পাবে ১ নভেম্বর।
টার্মিনেটর: ডার্ক ফেট মুক্তির আগে সম্প্রতি আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার তার জীবনে টার্মিনেটর ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন। আর্নল্ড তার ক্যারিয়ারের সফলতার কৃতিত্ব দিয়েছেন এই ছবিকে। তিনি বলেন, ‘আমি কোনান দ্য বারবারিয়ানে (১৯৮২) কাজ করেছিলাম। কিন্তু ছবিটা ছিল শুধু আমার পেশির প্রদর্শনী। আমি এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে চাচ্ছিলাম এবং দ্য টার্মিনেটরই হলো প্রথম ছবি, যেখানে আমার মুখ, চোখ ও অভিনয় স্বীকৃতি পেল। ছবিটা খুব ছোট কিন্তু অসাধারণভাবে লেখা ও পরিচালনা করা। এটা চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং আমার নিজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।’
৭২ বছর বয়সী আর্নল্ড বিশেষভাবে গর্ব অনুভব করেন এই কারণে যে টার্মিনেটর একমাত্র চরিত্র, যা একই সঙ্গে আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সেরা ৫০ ভিলেন (২২তম) এবং সেরা ৫০ নায়কের (৪৮তম) তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। ‘ধারণাটা ছিল যে ভিলেন হলেও চরিত্রটিকে দেখে সবাই বলবে, ‘এটা দারুণ!’ দর্শকরা চরিত্রটিকে অনুপ্রেরণা ও বিনোদনমূলক বলে বিবেচনা করেন।’
সূত্র: পিংকভিলা










