মুক্তির প্রথম দুদিনেই যুক্তরাষ্ট্রে ছবিটি আয় করেছে প্রায় ৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার। এর মধ্যে গত বুধবার উদ্বোধনী দিনে আয় করে ৩ কোটি ৪৫ লাখ এবং বৃহস্পতিবার যোগ হয় আরো ২ কোটি ৪৬ লাখ ডলার।

সিনেমাটি ২০২৩ সালের ‘দ্য সুপার মারিও ব্রস মুভি’র তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। আগের সে সিনেমা ইস্টার সানডের আগের বুধবার মুক্তি পেয়ে প্রথম দুদিনে ৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার আয় করেছিল, নতুন এ সিকুয়াল এরই মধ্যে সে রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে।

গত বুধবারের আয় ছিল এ বছরের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী দিন। এর আগে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ ৩ কোটি ৩১ লাখ ডলার আয় করে রেকর্ড গড়েছিল। সে তুলনায় সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি সে রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সাল পিকচার্স সূত্র জানায়, পাঁচদিনে সিনেমাটির আয় ১৮ দশমিক ৬ কোটি ডলার ছুঁতে পারে। কিছু সিনেমা হল মালিকের ধারণা, এটি ২০ কোটি ডলার পর্যন্তও পৌঁছতে পারে, যা আগের ছবির ২০ কোটি ৪৬ লাখ ডলারের উদ্বোধনী আয়ের কাছাকাছি।

আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশে এর উদ্বোধনী আয় হতে পারে প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা ২০২৬ সালের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বৈশ্বিক উদ্বোধন হতে পারে। গত বুধবার পর্যন্ত ৭৮টি বাজার থেকে এ সিনেমা ৩ কোটি ৩৯ লাখ ডলার আয় করেছে এবং বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার কিছু দেশে রেকর্ড গড়েছে।

পরিবারভিত্তিক জনপ্রিয় ভিডিও গেমের এ রূপান্তর তৈরি করেছে ইলোমিনেশন এন্টারটেইনমেন্ট ও নিটেন্ডা। সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও দর্শকের ইতিবাচক সাড়া সিনেমাটির সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখছে।

গল্পে দেখা যায়, মারিও, লুইজি আর প্রিন্সেস পিচ আবারো খলনায়ক বাউজারের মুখোমুখি হয়। এবার বাউজারের সঙ্গে আছে তার ছেলে বাউজার জুনিয়রও। পুরো গল্পটি মহাকাশজুড়ে এক দুঃসাহসিক অভিযানে এগোয়, যেখানে নতুন করে যুক্ত হয় প্রিন্সেস রোজালিনা ও ইয়োশি চরিত্র দুটি।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন অ্যারন হরভাথ ও মাইকেল জেলেনি। চিত্রনাট্য লিখেছেন ম্যাথিউ ফোগেল।

সূত্র: হলিউড রিপোর্টার