বানভাসি মানুষের গল্পে নির্মিত সিনেমা নয়া মানুষ। সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ৬ ডিসেম্বর। গত বুধবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এর ট্রেলার প্রকাশ করা হয়। এ সময় সিনেমাসংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। চরের মেহনতি মানুষের জীবন ও প্রকৃতির খেয়ালিপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আ মা ম হাসানুজ্জামানের ‘বেদনার বালু চরে’ গল্প অবলম্বনে এটি নির্মাণ হয়েছে। মাসুম রেজার চিত্রনাট্যে প্রথমবারের মতো সিনেমা নির্মাণ করেছেন সোহেল রানা বয়াতি।
পরিচালক বলেন, ‘নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে আমার প্রথম সিনেমাটি আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। প্রথম সিনেমা নিয়ে অনেক স্বপ্ন থাকলেও প্রতিটি মুহূর্তে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। মাত্র ৩৭ হাজার টাকা নিয়ে এ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য আউটডোর রওনা দিই। একটা সময় টাকার অভাবে এর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। শেষ মুহূর্তে যখন সিনেমাটি নিয়ে হতাশ ছিলাম, তখন জি-সিরিজের খালেদ ভাই হাল ধরেন। সবার সহযোগিতায় সিনেমাটি নির্মাণ করেছি। এ সিনেমা মানুষের মনে দাগ কাটবে। নয়া মানুষ হওয়ার জন্য অনেকেই চাইবে।’
রওনক হাসান বলেন, ‘কাজটা অসম্ভব কষ্ট করে করা। আমাদের সব কথা নয়া মানুষের মাধ্যমে বলা হয়েছে, যার জন্য সিনেমাটি দেখতে হবে। মানুষের চোখকেও সিনেমাটা আরাম দেবে।’
সহশিল্পী মৌসুমী হামিদের প্রশংসা করে এ অভিনেতা বলেন, ‘মৌসুমী চরের মানুষের সঙ্গে একেবারে মিশে গেছে। এতটা মিশে গিয়েছিল, কখনো ওকে (মৌসুমী) আলাদা মনে হয়নি। এ সিনেমার জন্য আমরা বিশাল যুদ্ধ করেছি। সবাই হলে এসে সিনেমাটি দেখবেন। বাংলা, মাটি ও মানুষের গল্প নয়া মানুষ।’
মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘এ সিনেমা আমাকে শক্তি জোগায়। নয়া মানুষের জার্নি আমার জীবনে কাজে লেগেছে। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ হয়েছে। এটি যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন নাজমুল হক ভূঁইয়া (খালেদ) হাল ধরেছেন। তিনি না হলে এটি শেষ হতো না। আমরা নয়া মানুষ নিয়ে অনেক বেশি আশাবাদী।’ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আশীষ খন্দকার, ঝুনা চৌধুরী, রওনক হাসান, মৌসুমী হামিদ, নিলুফার ওয়াহিদ, বদরুদ্দোজা, স্মরণ সাহা, শিখা কর্মকার, মাহিন রহমান, মেহারান সানজানা, পারভীন পারু, মেরি ও শিশুশিল্পী ঊষশী প্রমুখ।










