শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্বের জন্য বিশেষ খ্যাতি কুড়িয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী জেন্ডেয়া। তবে ক্যারিয়ারে সফল অবস্থানে দাঁড়িয়েও তিনি অতীতের ব্যর্থতাকে ভুলেননি। বিশেষ করে এক যুগ আগে মার্কিন চ্যানেল এবিসিতে হওয়া এক প্রতিযোগিতা ‘ড্যান্স উইথ দ্য স্টারস’-এর আসরে পরাজয়ের বিষয়ে। সম্প্রতি তিনি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন।
জেন্ডেয়ার বয়স তখন ছিল মাত্র ১৬ বছর। তবে সে সময় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করার পর হতাশা তাকে পেয়ে বসে। অনুষ্ঠানটির ১৬তম আসরের প্রতিযোগিতায় তিনি কিলি পিকলার ও তার নৃত্যসঙ্গী ডেরেক হিউয়ের কাছে পরাজিত হন। বিষয়টা তার ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবও বিস্তার করে রেখেছিল। বিনোদন গণমাধ্যম ডেডলাইনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জেন্ডেয়া চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার বিষয়ে নিজের হতাশার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো কিছুটা বিব্রতবোধ ধরে রেখেছি। সে হার এখনো অনুভব করি। তখন আমার বয়স ছিল ১৬ বছর। বিষয়টি ছিল চাপের। প্রতি সপ্তাহে সরাসরি টেলিভিশনে উপস্থিত হওয়াটা খুব ভয়ের ছিল আমার জন্য।’
যদিও তিনি তখন অল্প বয়সী ছিলেন, প্রতিযোগিতায় ছিলেন সম্পূর্ণ মনোযোগ নিয়ে। তিনি এটাকে জীবনের অন্যতম অভিজ্ঞতা হিসেবেই স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলাম। পরে মনে হয়, না নিলেই ভালো হতো। তাহলে আরো উপভোগ করতাম এবং মেনে নিতাম। কিন্তু আমি নিজেকে অনেক চাপ দিচ্ছিলাম। সত্যিই অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে পার হতে হয়েছে।’
তারুণ্যে জনসমক্ষে থাকা এবং লাইভ টেলিভিশনের চাপ স্পষ্টতই প্রভাব ফেলেছিল জেন্ডেয়ার ওপর। তিনি মনে করেন, সরাসরি সম্প্রচার ও নিয়মিত পারফরম্যান্সের চাপে তিনি পরিস্থিতির প্রকৃত সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি তখন ভাবছিলাম, আমি আর এটা দেখব না বোধ হয়’।
তিনি স্বীকার করেন, সে অভিজ্ঞতায় তাকে আর একবারও ফিরে যেতে ইচ্ছা করেনি। হতাশা সত্ত্বেও জেন্ডেয়ার জন্য শোয়ে সময়টি তার প্রাথমিক ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল। তিনি পেশাদার নৃত্যশিল্পী ভ্যালেন্টিন স্মেরকোবস্কির সঙ্গে জুটি বাঁধেন এবং একসঙ্গে তারা পুরো প্রতিযোগিতায় চিত্তাকর্ষক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। শেষ পর্যন্ত জেন্ডেয়া দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।
সূত্র: এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি










