জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিরিজ ‘অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার’। এবার তৈরি হচ্ছে এর নতুন দুনিয়া। নিকোলোডেয়ন বানাচ্ছে ‘অ্যাভাটার: সেভেন হেভেনস’। দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশন সিরিজটিতে থাকবে ২৬টি এপিসোড, যার প্রতিটির ব্যাপ্তি হবে ৩০ মিনিট। অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার প্রথম মুক্তি পায় ২০০৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। সিরিজটির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নতুন পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

‘অ্যাভাটার: সেভেন হেভেন’-এর নির্মাতা মাইকেল ডি মার্টিনো ও ব্রায়ান কোনিয়েটযকো। বার্বাঙ্কের নিকোলোডেয়ন অ্যানিমেশনের সঙ্গে এটি প্রযোজনা করছে অ্যাভাটার স্টুডিওজ।

নতুন সিজনের গল্প সম্পর্কে বলা হয়েছে—পৃথিবী যখন একটা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সে সময় একজন তরুণী নিজেকে নতুন অ্যাভাটার হিসেবে আবিষ্কার করে। কিন্তু অবস্থা এমন যে ওই সময় তাকেই ক্ষতিকারক, ধ্বংসকারী বলে মনে করে মানুষ। তারপর একদিকে মানুষ ও অন্যদিকে স্পিরিট অ্যানিমেলদের কাছ থেকে নিজেকে ও তার যমজ বোনকে বাঁচিয়ে পৃথিবীকেও রক্ষা করার চেষ্টা করে। কেননা সে না পারলে সেভেন হেভেনসের সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে।’

সিরিজটি নিয়ে ডি মার্টিনো ও কোনিয়েটযকো বলেন, ‘আমরা যখন সিরিজটি তৈরি করি, তখন চিন্তা করিনি এক যুগের বেশি সময় পর আরেকটা দুনিয়া তৈরি করব। এটাকে অ্যাভাটারের পুনরুত্থান বলা যায়। এর মধ্য দিয়ে অ্যাভাটারের ইউনিভার্স তৈরি হচ্ছে, যাতে থাকছে ফ্যান্টাসি, রহস্য আর সম্পূর্ণ নতুন একটা কাস্ট। এটা হতে যাচ্ছে একটা আবেগপূর্ণ যাত্রা। সেটা আবার মহাকাব্যিক।’

এদিকে সিরিজের প্রশংসা করেছেন প্যারামাউন্ট অ্যানিমেশন ও নিকোলোডেয়ন অ্যানিমেশনের প্রধান র‍্যামসে নাইতো বলেন, ‘প্রায় দুই যুগ ধরে অ্যাভাটার: দ্য লাস্ট এয়ারবেন্ডার দর্শককে মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। এর অন্যতম কারণ অ্যানিমেশনটির গল্প ও তার নান্দনিক উপস্থাপন। অসাধারণ একটা গল্পের পাশাপাশি দারুণ সব চরিত্র নিয়ে বিশ্বের বহু দর্শকের কাছে প্রিয় হয়েছে এটি। এবার নতুন অধ্যায় আসছে সে গল্পের। আমরা অধীর হয়ে অপেক্ষা করে আছি। এ গল্পের মাধ্যমে বর্ধিত হবে অ্যাভাটারভার্স। আমার বিশ্বাস, প্রথম বা মূল সিরিজের মতোই এটাও জনপ্রিয় হবে। এর থেকে বেশিও হতে পারে।’

সেভেন হেভেনস মূলত অ্যাভাটারের তৃতীয় সিজন। কেননা এর আগে এসেছিল ‘অ্যাভাটার: দ্য লেজেন্ড অব কোরা’। ২০১২-১৪ সালের মধ্যে এটি প্রচার হয়। এদিকে নেটফ্লিক্স গত বছর লাস্ট এয়ারবেন্ডারের একটা লাইভ অ্যাকশন এনেছিল।

সূত্র ও ছবি: ডেডলাইন