নভেল করোনাভাইরাসের এ সংকটময় সময়ে অন্য সবার মতো বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহামও
লকডাউনে রয়েছেন। আনিস বাজমির ‘পাগলপন্তি’ ছবিতে কীর্তি খারবান্দা, ইলিয়ানা ডি ক্রুজ, অনিল কাপুর, আরশাদ ওয়ারসি ও পুলকিত সম্রাটের সঙ্গে জনকে শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল। কভিড-১৯-এর কারণে ভারতে চলমান পরিস্থিতি এবং বর্ধিত লকডাউন সম্পর্কে কথা বলার সময়ে জন পুলিশ, সেনাবাহিনী ও চিকিৎসাকর্মীদের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও চিকিৎসাকর্মীরা নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে সাহায্য করছেন। তারা সবাই বাস্তব জীবনের সুপার হিরো। বিভিন্ন পরিস্থিতি বিভিন্ন রকম হিরোদের সামনে নিয়ে আসে। বর্তমানের এ সংকট সত্যিকার জীবনের হিরোদের সামনে নিয়ে এসেছে।
সম্প্রতি মিলাপ জাভেরি রচিত ‘মেরা ভারত মাহান’
শিরোনামের কবিতাটি
জন আবৃতি করেছেন। জনের আবৃত্তি ও কবিতাটি দারুণ সাড়া ফেলেছে। এ বিষয়ে জন বলেন, ‘সব কৃতিত্ব মিলাপের। তিনি কবিতাটি লিখেছিলেন এবং আমার কাছে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। কবিতাটি আমার ভালো লাগে। মিলাপ চেয়েছিলেন আমি যেন এটি আবৃত্তি করি। কবিতাটি পড়ে আমার মনে হয়েছিল নেতিবাচকতা এবং ঘৃণা দিয়ে ভরা বর্তমান এ বিশ্বে এটি ইতিবাচকতার বার্তা ছড়িয়ে দেবে। কবিতাটি ঐক্যের বার্তা প্রচার করবে। বিতর্কিত নয় এমন কোনো কিছু পাওয়া এ মুহূর্তে দরকারি। আর ভারতীয়দের মন
ছুঁয়ে যাবে কবিতাটি। অন্যান্য বলিউড তারকাদের বিপরীতে জন আব্রাহাম সবসময় নিজের ব্যক্তিগত জীবন মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন।
নভেল করোনাভাইরাসের আক্রমণে এ সংকটকালে অনেক বলিউড তারকা তাদের দেয়া অনুদান সম্পর্কে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন, আবার কেউ কেউ গোপন রেখেছেন। এ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে জন বলেন, ‘আমি মনে করি, যারা অনুদানের কথা ঘোষণা করেছেন, তারা দুর্দান্ত কাজ করেছেন। তবে আমার মতো মানুষ তা কখনই করবে না। জনসাধারণের কাছে প্রকাশ করা তো দূরে থাক, এমনকি কোনো পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমেও আমি অনুদানের কথা প্রকাশ করব না।’
লকডাউনের সময় কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের উত্তরে জন বলেন, তার দৈনন্দিন জীবনে খুব বড় পরিবর্তন হয়নি। তিনি সবসময়ই ঘরের খাবার পছন্দ করতেন এবং বাসায় থাকতেই তিনি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। জন সবাইকে বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করেন এবং বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সূত্র: পিংকভিলা










