অনলাইন অনুষ্ঠানে আপত্তি তোলার কী আছে, তা ভেবে পান না রাধিকা আপ্তে। অ্যাপল টিভির মেগা সিরিজ শান্তারাম-এ কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি অনুরাগ কাশ্যপের লাস্ট স্টোরিতে রাধিকা আপ্তে এক ভীতিজাগানিয়া কলেজ শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, সেই সুবাদে তিনি এবার মনোনয়ন পেয়ে গেছেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যামি অ্যাওয়াডের্র সেরা অভিনেত্রী শাখায়। এ খবর প্রথম শুনে রাধিকা অবশ্য ঠিক বিশ্বাস করতে পারেননি, বিস্ময় কাটিয়ে খানিক গুগল করে নিশ্চিত হন এটা আমেরিকার বিখ্যাত অ্যামি অ্যাওয়ার্ডই।

আপ্তের সঙ্গে নেটফ্লিক্সের স্যাকরেড গেমস-এরও ইন্টারন্যাশনাল অ্যামি অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাওয়া ভারতীয় ছবির শক্তিমত্তারই পরিচয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভারতীয় ছবির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে, এ ঘটনায় তাই স্পষ্ট হয়েছে। আর ৩৪ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী মনে করেন, ‘টেলিভিশনের ধারণাই আসলে বদলে গেছে। এ কারণেই আমাদের কাজ এখন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও স্বীকৃতি পেতে শুরু করেছে।’

ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসকে রাধিকা বলেন, ‘এটা টেলিভিশন ঘটিয়েছে। আমাদের যে টিভি, তাতে বিশ্বের অনুষ্ঠান ছিল না বললেই চলে। কিন্তু ডিজিটাল মিডিয়ার কল্যাণে টিভিতে একটা বিপ্লব ঘটে গেছে, পৃথিবী এত ছোট হয়ে গেছে! প্রত্যেকে প্রত্যেকের অনুষ্ঠান দেখতে পারছে। টেলিভিশনের ধারণা পাল্টে গেছে পুরোপুরিই, ফলে আমাদের অনুষ্ঠান এখন বিশ্বজুড়ে দেখা সম্ভব। এ কারণেই এবার এমিতে এত বেশি মনোনয়ন। আমরা যদি এ ধরনের ছবি নিয়মিত বানাতে পারি, তাহলে ভারত থেকে প্রতি বছরই মনোনয়ন থাকবে, আমি নিশ্চিত করে তা বলতে পারি।

‘তবে আমাদের আরো ধৈর্য ধরতে হবে, মাত্র দুই বছর হয় আমরা ডিজিটাল অনুষ্ঠান বানাচ্ছি। আরো দু-তিন বছর যাক, দেখবেন আমাদের সিরিজগুলো আরো ভালো হচ্ছে।’

কিন্তু ভারতীয় ছবি আন্তর্জাতিক পরিসরে যত জনপ্রিয় হচ্ছে, ঘরে তত নানা বিতর্ক দেখা দিচ্ছে, বিশেষ করে ভারতে আলোচনায় আসছে সেন্সরশিপের বিষয়টি। খুন-খারাবি, ঘনিষ্ঠতা, অশ্লীল ভাষা এবং চরিত্রের পর্দায় ধূমপানের দৃশ্য—এসব নিয়ে প্রায়ই দর্শকদের মধ্য থেকে আপত্তি উঠছে। কিন্তু স্যাকরেড গেমস-এর এ অভিনেত্রী ভেবে পান না অনলাইনের ছবি দৃশ্য কীভাবে ভারতীয় দর্শকদের জন্য অসংগতিপূর্ণ হয়, এ সমালোচনার তিনি কোনো মানে খুঁজে পান না।

তার কথা হলো: ‘ওয়েব হল এমন একটা বিশাল প্লাটফর্ম, যেখানে একসঙ্গে অনেক লোক প্রবেশ করছে। আপনি লম্বা দৈর্ঘ্যের কিংবা স্বল্পদৈর্ঘ্যের যেকোনো অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। আপনি