বলিউডের লেখক ও গীতিকার জাভেদ আখতার এবং অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের মধ্যে প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা মামলার মিটমাট হয়েছে। অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত নিজেই জানিয়েছেন এ খবর। জাভেদ আখতারও এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘কঙ্গনা ক্ষমা চেয়েছেন এবং আমিও আমার মামলা প্রত্যাহার করব। তিনি তার মামলা প্রত্যাহার করবেন।’

গত শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে জাভেদ আখতারের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কঙ্গনা লেখেন, ‘জাভেদজি ও আমি মধ্যস্থতার মাধ্যমে আইনি বিষয়টি (মানহানির) সমাধান করেছি। জাভেদজি মধ্যস্থতা করার জন্য যথেষ্ট সহনশীল ছিলেন, এমনকি তিনি আমার পরবর্তী সিনেমার জন্য গান লিখতেও রাজি হয়েছেন।’ কঙ্গনা এ পোস্ট দেয়ার আগে মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ আদালতে তিনি ও জাভেদ আখতার হাজির হয়ে তাদের মামলাগুলো তুলে নেয়ার ইচ্ছার কথা জানান।

ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাভেদ আখতার আদালত থেকে বেরিয়ে এসে বলেন, ‘আমরা দুজনই মামলা প্রত্যাহার করতে প্রস্তুত। এত বছর পর বিষয়টি সমাধান হয়েছে।’ পরে জাভেদ আখতারকে মিডিয়ার তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয়, কঙ্গনার সঙ্গে মামলা শেষ হওয়ার পর তার মন প্রসন্ন কিনা! তিনি জবাব দেন, ‘আমি এখন নতুন সমস্যা নিয়ে কাজ করব।’

কঙ্গনা রানাওয়াত ও জাভেদ আখতারের মধ্যে বিবাদের শুরু হয় ২০১৬ সালে। সে সময় কঙ্গনা ও হৃতিক রোশনের মধ্যে চলা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন জাভেদ আখতার। এ বর্ষীয়ান গীতিকার হঠাৎই একদিন হৃতিকের পারিবারিক বন্ধু হিসেবে সব সমাধান করতে চেয়ে বাড়িতে ডেকে পাঠান কঙ্গনা রানাওয়াতকে। তিনি কঙ্গনাকে তখন পরামর্শ দেন হৃতিক ও তার পরিবারের কাছে ক্ষমা চাইতে।

২০২০ সালে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর জাভেদ আখতারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতারের নামসহ একাধিক তারকার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছিলেন তিনি। কঙ্গনা বলেছিলেন, জাভেদ আখতার তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে পাল্টা মানহানির মামলা করেছিলেন জাভেদ আখতারও। ২০২১ সালে জাভেদ আখতারের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন কঙ্গনা। তার অভিযোগ ছিল, জাভেদ তাকে ক্ষমা চাইতে চাপ দিচ্ছিলেন।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস