এসেছে নয়নতারার আত্মজৈবনিক তথ্যচিত্র। নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ‘নয়নতারা: বিয়ন্ড দ্য ফেয়ারি টেল’। নয়নতারার জীবন, ক্যারিয়ার ও সম্পর্কের নানা বিষয় উঠে এসেছে এতে। এ তথ্যচিত্র নিয়েই ধানুষের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়েছে। মনোমালিন্যতেই শেষ না, এটা গেছে মামলা পর্যন্ত। ভিগনেশ শিবান পরিচালিত ‘না নো রাউডি ধান’ সিনেমাটির প্রযোজক ছিলেন ধানুষ। এ সিনেমার মধ্য দিয়েই ভিগনেশের সঙ্গে নয়নতারার সম্পর্ক এগিয়েছিল। সাম্প্রতিক তথ্যচিত্রে এ সিনেমার দৃশ্য ব্যবহারের অনুমতি দেননি ধানুষ। এ নিয়ে নয়নতারা তাকে একটি আইনি নোটিস পাঠানোর পাশাপাশি ধানুষকে নিয়ে পোস্ট করেছিলেন ইনস্টাগ্রামে। আর অনুমতি ছাড়াই নির্মাতারা ব্যবহার করেছেন ৩ সেকেন্ডের একটি ক্লিপ। এ নিয়ে ধানুষ করেছেন মামলা। সেটির জবাব দিয়েছেন নয়নতারা ও তার আইনজীবী।

এর আগে ধানুষের পাঠানো আইনি নোটিসের জবাব দিয়েছেন নয়নতারা। তিনি জানিয়েছেন, ৩ সেকেন্ডের ক্লিপ ব্যবহারে কোনোভাবেই কপিরাইট লঙ্ঘন হয় না। লেক্স চেম্বারসের রাহুল ধাওয়ান বিষয়টি দেখছেন। তিনি নয়নতারা, ভিগনেশ ও তাদের রাউডি পিকচার্সের আইনি বিষয়াদি দেখেন। তিনি আরো জানান, ব্যবহৃত দৃশ্যটুকু ব্যক্তিগত সংগ্রহের এবং সিনেমার সঙ্গে একে যুক্ত করার কোনো প্রয়োজন নেই।

হিন্দুস্তান টাইমসে নয়নতারার পক্ষে দেয়া রাহুলের বিবৃতি, ‘আমাদের বক্তব্য হলো এখানে কপিরাইট কোনোভাবেই ভাঙা হয়নি, কারণ ব্যবহৃত দৃশ্য সিনেমার নেপথ্য অংশ নয়। এটা ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে ব্যবহৃত। সে হিসেবে এটাকে কপিরাইটের আওতায় আনা যায় না।’

বিষয়টি নিয়ে আদালত আরো কথা শুনবেন। আগামী ২ ডিসেম্বর মাদ্রাজ হাইকোর্টে মামলার দ্বিতীয় শুনানি হবে। অন্যদিকে ধানুষের পক্ষ থেকে এ দৃশ্য সরানোর জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়। তা না করা হলে মেধাস্বত্ব আইনের অধীনে নয়নতারা ও তার টিমের বিরুদ্ধে মানহানিসহ কপিরাইট ভাঙার মামলা করা হবে। ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ কোটি রুপি চাওয়া হতে পারে।

সূত্র: ইয়ন