বলিউডের মিষ্টি মেয়ে অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। ১১ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০১৯ সালের আগস্টে স্বামী সাহিল সংঘের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। ২০১৪ সালে সাহিল-দিয়া জুটি গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন।

গত বছর এ অভিনেত্রী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন যে, ‘১১ বছর জীবন ভাগ করে নেয়া এবং একসঙ্গে থাকার পর আমরা পারস্পরিকভাবে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা বন্ধু আছি। ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে একে অন্যের জন্য সবসময় তা থাকব।’

সম্প্রতি মুম্বাই মিরর-এর সঙ্গে কথোপকথনে সাবেক এ বিউটি কুইন তার বাবা-মায়ের উদাহরণ দিয়ে নিজের বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘অনেকেই এখন আমার আলাদা হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে কথা বলেন। আমি তাদের আরো সামনে এগিয়ে যেতে বলব। তারকা হওয়ার কারণে দুঃখ, যন্ত্রণা—এসব আমাকে স্পর্শ করে না, তা কিন্তু নয়। ৩৪ বছর আগেই আমি আমার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ থেকে মনোবল অর্জন করেছি।’

এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘নিজেকে সবসময় বলি, যদি আমি সাড়ে চার বছর বয়সে এ রকম একটি বিষয়ের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারি, তাহলে ৩৭ বছর বয়সেও পারব।’

‘ভয়ের কারণে অধিকাংশ নারী-পুরুষ জীবনের বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করেন। এক্ষেত্রে আপনি সফল হবেন সেই বিশ্বাস থাকাটা জরুরি’—তিনি বলেন।

কথা বলতে বলতে দিয়া একসময় তার বাবা-মায়ের বিপরীত ধর্মের প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে আমার দত্তক নেয়া বাবার নাম রাখতে হয়েছে। জন্মসনদে আমার আরেকটি নাম আছে। পাসপোর্টে আমার বায়োলজিক্যাল এবং দত্তক উভয় বাবার নামই রয়েছে। ধর্মের বিষয়টি নিয়ে আমরা তেমন ভাবি না। এ সময় এ অভিনেত্রী বলেন, ‘একই ব্রাশ দিয়ে সবকিছু আঁকা অনেকটা উদ্ভট।’

সঞ্জুখ্যাত অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘আমি আমার বায়োলজিক্যাল বাবাকে নয় বছর বয়সে হারিয়েছি। কিন্তু এখনো আমরা ক্রিস্টমাস ও ইস্টার সানডে—দুটোই উদযাপন করি।

শিগগিরই এ অভিনেত্রীকে থাপ্পড় সিনেমায় দেখা যাবে। এতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাপসী পান্নু।

 

সূত্র: ডিএনএইন্ডিয়া