ভিকি কৌশল ও রাশমিকা মান্দানা অভিনীত চলচ্চিত্র ‘ছাবা’। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি রয়েছে আলোচনার শীর্ষে। তবে বক্স অফিসের ঝড়ের বাইরে দর্শকদের মনস্তত্ত্বেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, এ সিনেমা দেখে গুপ্তধনের খোঁজে বেরিয়েছে একদল গ্রামবাসী। রাতভর চলেছে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি।

ঘটনাটি ঘটেছে মূলত ভারতের মধ্যপ্রদেশের একটি গ্রামে। হঠাৎ করেই রাতের অন্ধকারে গ্রামবাসী টর্চ, শাবল হাঁতে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। আসিরগড় নামের একটি জায়গায় শুরু করেন খননকাজ। তাদের ধারণা, মাটি খুঁড়ে মুঘল আমলের কিছু স্বর্ণমুদ্রা কিংবা গুপ্তধন মিলতে পারে। অনেকে আবার দাবি করেছেন, এলাকায় নাকি কেউ কেউ স্বর্ণমুদ্রাও দেখতে পেয়েছেন।

ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’ দেখার পর ভাবনাটি তীব্র হয়েছে। কারণ সেই ছবিতে বুরহানপুরের নাম নেয়া হয়। দেখানো হয়, এককালে মুঘলদের বাস এখানেই ছিল। আর সেখান থেকেই গ্রামবাসীর ধারণা জন্মেছে, এখানেই লুকিয়ে রয়েছে মুঘলদের গুপ্তধন।

দুর্গের চারপাশেই একটানা চলেছে খননকার্য। এমনকি মেটাল ডিটেক্টর দিয়েও চারপাশ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে, সোনাদানা কোথাও লুকিয়ে রাখা রয়েছে কি না। এদিকে গ্রামবাসীর কার্যক্রমে বিরক্ত সেখানকার জমির মালিকরা। বিষয়টি কানে যায় প্রশাসনেরও। পরে পুলিশের সাহায্যে গ্রামবাসীদের খননকার্য বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়। এমনকি সেই অঞ্চলে গুপ্তধন পাওয়ার সম্ভাবনাও তারা উড়িয়ে দিয়েছেন।