ব্রিটিশ অভিনেত্রী কিইরা নাইটলি। নব্বইয়ের দশকে অভিষেক হলেও আলোচনায় আসেন ২০০০ সালের পর। অভিনয় করেছেন ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’, ‘দি ইমিটেশন গেম’, ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ সিনেমায়। ২০০৩ সালে তিনি অভিনয় করেন রিচার্ড কার্টিসের ‘লাভ অ্যাকচুয়ালি’তে। সহঅভিনেতা ছিলেন হিউ গ্র্যান্ট, এমা থমসন ও লিয়াম নিসন। কিইরা নাইটলির বয়স তখন ১৭ বছর। অভিনয় তেমন কিছু বুঝতেন না। রিচার্ড তাকে সাহায্য করেছিলেন। নতুন করে নিজেকে তৈরি করতে হয়েছিল এজন্য।
সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব নিয়ে কথা বলেন নাইটলি। তিনি বলেন, ‘সে সময় একটা দৃশ্য তুলতে আমার বেশ কষ্ট হয়েছিল। আমি এমনভাবে তাকিয়েছিলাম, যা রিচার্ডের পছন্দ হয়নি। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে আমি রিচার্ডের দিকে এমন করে তাকিয়েছিলাম, যেন সে কোনো অদ্ভুত প্রাণী। উত্তরে আমি বলেছিলাম, তাকে আসলেও কিম্ভূত লাগছিল। কিন্তু এরপর রিচার্ড আমাকে বোঝায়, এভাবে তাকানো যাবে না। তারপর আমি মুখভঙ্গি ও তাকানোর দিক বদল করি। নিজেকে নতুন করে গোছাতে হয়েছিল দৃশ্যটার জন্য।’
রিচার্ড কার্টিসের সঙ্গে এরপর ভালো বন্ধুত্ব হয় কিইরার। এখনো সে বন্ধুত্ব অটুট। তাহলে সে সময় কি কোনো দূরত্ব ছিল বা দৃশ্যটায় এমন কিছু ছিল, যার জন্য কিইরা সেটা করতে পারেননি শুরুতে? এর উত্তরে কিইরা বলেন, ‘বিষয়টা আসলে সে রকম কিছু নয়। আমার বয়স তখন ছিল মাত্র ১৭ বছর। সেটাই সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় ছিল। ক্যামেরার সামনে অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারতাম না। এটাই সবচেয়ে কিম্ভূত বিষয়।’
তবে কার্টিস অবশ্য বলেন, ‘সিনেমার ওই দৃশ্য একটু অদ্ভুত ছিল, মানতে হবে। এখন আর অদ্ভুত লাগে না ততটা। এর জন্য অবশ্য আমাদের দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনকে ধন্যবাদ দিতে হবে। আমরা এখন অনেক এগিয়ে গেছি।’
লাভ অ্যাকচুয়ালি সিনেমায় কিউ কার্ড সিন বলে পরিচিত দৃশ্যটি অনেকেরই প্রিয়। অ্যান্ড্রু লিংকনের কার্ড ধরে রাখা ও কিইরার এগিয়ে যাওয়ার দৃশ্যটি অনেকেরই পছন্দ। কিইরা বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি যানজটে আটকে ছিলাম। সেদিন এমনই একটা বিষয় দেখেছিলাম। একজন অপেক্ষা করে আছে কারো জন্য। সেদিন আমার সিনেমার দৃশ্যটা মনে পড়ে গিয়েছিল।’
কিইরা নাইটলিকে সর্বশেষ দেখা যায় ‘ব্ল্যাক ডাভস’ সিরিজে। এখন তার হাতে আছে ‘দ্য উইম্যান ইন কেবিন টেন’। এটি পরিচালনা করেছেন সাইমন স্টোন।
সূত্র: ডেডলাইন










