কিন্তু ২০২৭ সালে এ পুরস্কারে বিবেচনার জন্য নিজেদের কোনো গান জমা দেবে না দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। গতকাল এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দলটি। দলের সাত সদস্য আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক নিজ নিজ ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একই বিবৃতি প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে তারা লেখেন, ‘এ বছর আমরা গ্র্যামির জন্য আমাদের গান জমা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের আশা, আমাদের সংগীতকে অঞ্চল বা ভাষার ভিত্তিতে আলাদা করে নয়, বরং তার নিজস্ব শিল্পমানের জন্যই শোনা ও ভালোবাসা হবে। আমাদের পাশে সবসময় থাকার জন্য আর্মি এবং সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’
ব্যান্ডটির এ ঘোষণা এসেছে রেকর্ডিং একাডেমি ‘সেরা এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ নামে নতুন একটি বিভাগ চালুর ঘোষণা দেয়ার এক মাসেরও কিছু বেশি সময় পর। নতুন বিভাগটির বর্ণনায় একাডেমি জানায়, এশিয়ান বাজারে উৎপত্তি বা ব্যাপক স্বীকৃতি পাওয়া এশিয়ান পপসংগীত পরিবেশনায় শৈল্পিক উৎকর্ষকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য বিভাগটি চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে কে-পপ, জে-পপ ও সি-পপসহ এক বা একাধিক এশীয় ভাষার অর্থবহ ব্যবহার রয়েছে এমন সংগীত অন্তর্ভুক্ত হবে। এ পুরস্কার দেয়া হবে পরিবেশনকারী শিল্পী বা শিল্পীদের।
এর আগেও গ্র্যামিতে একাধিকবার মনোনয়ন পেয়েছে বিটিএস। ‘বেস্ট পপ ডুয়ো/গ্রুপ পারফরম্যান্স’ ও ‘বেস্ট মিউজিক ভিডিও’ বিভাগে মনোনয়ন পেলেও এখন পর্যন্ত কোনো গ্র্যামি জিততে পারেনি তারা। ২০১৯ সাল থেকে দলের সাত সদস্যই রেকর্ডিং একাডেমির ভোটাধিকারপ্রাপ্ত সদস্য।
আগামী বছরের গ্র্যামিতে বিটিএসের প্রথম জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা ছিল। সদস্যদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা শেষ হওয়ার পর গত মার্চে দলটি তাদের পঞ্চম স্টুডিও অ্যালবাম ‘আরিরাঙ’ প্রকাশ করে। অ্যালবামটি বিলবোর্ডের প্রধান অ্যালবাম ও সিঙ্গেলস চার্টের শীর্ষে উঠে আসে এবং বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










