চলচ্চিত্র
জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ
অস্কার আসর দেখা
নিয়ে তাবত্ পৃথিবীর
মানুষের আগ্রহের কমতি
নেই। বিশ্বের
কোটি কোটি দর্শক
এ আয়োজন
দেখার জন্য উন্মুখ
হয়ে থাকে সারা
বছর। বরাবরের
মতো ৯ ফেব্রুয়ারি
অনুষ্ঠিত অস্কারের ৯২তম
আসরও উপভোগ করেছে
অজস্র মানুষ।
তবে গতবারের চেয়ে
এ বছর
টেলিভিশনে সবচেয়ে কমসংখ্যক
মানুষ এ লাইভ
অনুষ্ঠান উপভোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের
সম্প্রচার মাধ্যম এবিসির
উদ্বৃতি দিয়ে বিবিসি
বলছে, এ বছর
টেলিভিশনে অস্কারের লাইভ
অনুষ্ঠান দেখেছেন সবচেয়ে
কমসংখ্যক দর্শক।
এ বছর
২৩ দশমিক
৬ মিলিয়ন
দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ
করেছে, যা গত
বছরের চেয়ে প্রায়
ছয় মিলিয়ন
কম।
টেলিভিশনে গতবার ৯১তম
অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ
করেছিল ২৯ দশমিক
৫ মিলিয়ন
দর্শক। অবশ্য
শুধু অস্কার নয়,
এ বছর
এমি অ্যাওয়ার্ডস, গোল্ডেন
গ্লোবস ও গ্র্যামির
মতো আসরও আগের
তুলনায় দর্শক হারিয়েছে।
এদিকে
২০১৯ সালে উপস্থাপক
ছাড়া অস্কার আয়োজন
অনুষ্ঠিত হলেও তা
চার বছর ধরে
পড়তির দিকে থাকা
দর্শক সংখ্যাকে ওপরে
নিয়ে আসতে সক্ষম
হয়েছিল। কিন্তু
এ বছর
সে সফলতাকে
ধরে রাখতে ব্যর্থ
হয়েছে অস্কার।
গতবারের মতো এ
বছরও একাডেমি অ্যাওয়ার্ড
অনুষ্ঠানে নির্দিষ্ট কোনো
উপস্থাপক ছিল না। এ
বছর অনুষ্ঠানের শুরু
হয়েছিল সংগীতশিল্পী ও
মুনলাইট অভিনেত্রী জেনেল
মোনেয়ের মন মাতানো
পারফরম্যান্স
দিয়ে।
এ
বছর অস্কারে সবচেয়ে
বেশিসংখ্যক
পুরস্কার জয় করে
ইতিহাস রচনা করেছে
দক্ষিণ কোরিয়ার ছবি
প্যারাসাইট। সেরা
ছবির পুরস্কারসহ মোট
চারটি অস্কার লাভ
করে প্যারাসাইট।
এর পরের
অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে
১৯১৭ (৩), ফোর্ডস ভার্সেস
ফেরারি (২), জোকার (২),
ওয়ান্স আপন আ
টাইম ইন হলিউড
(২)।
এ
বছর ব্রাড পিট
তার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের
মতো অস্কার জিতেছেন। নির্মাতা
কোয়ান্টিন টারান্টিনোর ছবিতে
অভিনয় করে সেরা
পার্শ্ব-অভিনেতার ট্রফি
হাতে তুলে নেন
এ অভিনেতা। পিট
ছিলেন অস্কারের রাতের
প্রথম বিজয়ী।
পুরস্কার গ্রহণের পর
তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসন
প্রক্রিয়া নিয়ে কথা
বলেন। এরপর
রাজনীতির প্রসঙ্গ থেকে
ব্যক্তিজীবনে
ফিরে আসেন ৫৬
বছর বয়সী পিট।
উল্লেখ্য,
৯২তম অস্কারে অনলাইন
স্ট্রিমিং নেটফ্লিক্স ম্যারিজ
স্টোরি, দ্য টু
পোপস ও দি
আইরিশম্যান-এর মতো
চলচ্চিত্রের
জন্য ২৪টি বিভাগে
অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিল। অনলাইন
প্লাটফর্মটি
এবার মাত্র দুটি
অস্কার জিতেছে।
সেরা প্রামাণ্যচিত্র (আমেরিকান
ফ্যাক্টরি) ও সেরা
পার্শ্ব-অভিনেত্রীর (ম্যারিজ
স্টোরি-লরা ডার্ন)
পুরস্কার দুটি নেটফ্লিক্সের
দখলে চলে যায়।
সূত্র:
বিবিসি ও ইন্ডিওয়্যার










