এক দশকের বেশি সময় ধরে সংগীতশিল্পী টেইলর সুইফট গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস জিতে আসছিলেন। ২০০৮ সালে প্রথম মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে বছরের সেরা অ্যালবামের জন্য দুটিসহ প্রায় ১০টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন এ পপতারকা।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস থেকে একটু দূরেই রয়েছেন সুইফট। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে তিনি অংশ নেননি। অন্যদিকে ২০১৭ সালে কোনো ক্যাটাগরিতেই মনোনয়ন পাননি এ সংগীতশিল্পী।
টেইলর সুইফট মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে স্পষ্টবাদী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু রেকর্ডিং একাডেমি নিয়ে বহু বছরের বিতর্ক সত্ত্বেও গ্র্যামি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম পেজ সিক্স দাবি করেছে, এবারের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে সুইফট বড় কোনো পুরস্কার পাচ্ছেন কিনা, তা নিশ্চিত হতে তার দল গ্র্যামি সমন্বয়কারীদের কাছে ফোন করেছিল। এর পরই সুইফট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন না।
টেইলর বিজয়ী কিনা, তা জানার চেষ্টা করেছিলেন তার দলের সদস্যরা। তাদের কথোপকথনেই বোঝা গিয়েছিল, যদি টেইলর গ্র্যামি জিততে না পারেন, তাহলে তিনি অনুষ্ঠানে আসবেন না—সূত্রটি জানিয়েছে।
অন্য একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে ফোনকলটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। তবে পেজ সিক্স-এর এ দাবি শুনে সুইফটের দল হেসে উঠেছিল। দলের সদস্যদের মতে, ‘আমি
রেকর্ডে আছি এবং অজ্ঞাতনামা সোর্সের দেয়া বিবৃতিগুলো শতভাগ মিথ্যা ও হাস্যকর। তিনি এমনিতেই গ্র্যামিতে যাননি। আপনাদের শান্ত হওয়া দরকার।’
২০১৯ সালে গানের জন্য সেরা মনোনীত হওয়া তারপর সেরা পপ, সোলো পারফরম্যান্স ও সেরা পপ ভোকাল ক্যাটাগরিতে মনোনীত হওয়া সত্ত্বেও সুইফট এ বছরের গ্র্যামিতে অংশ নেবেন না বলে গত ২৪ জানুয়ারি খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত সুইফটকে ছাড়াই গ্র্যামির রাতটি উদযাপিত হয়। অবশ্য সুইফট ছাড়াও বিয়ন্সের মতো আরো বেশ কয়েকজন তারকা অনুপস্থিত ছিলেন এ অনুষ্ঠানে। যদিও তারা অনেক ছোট ছোট মনোনয়ন পেয়েছিলেন।
বছরের সেরা গান ও সেরা পপ ভোকালের জন্য সুইফট মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু পুরস্কারটি শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ে বিলি এইলিশের ঝুলিতে।
এসব নিয়ে সুইফট কখনই প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। তিনি বরং নেটফ্লিক্সে তার আসন্ন ডকুমেন্টারি মিস আমেরিকানার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন।
সূত্র: ভ্যানিটিফেয়ার










