মার্ভেলের নতুন সিনেমা ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড’। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে প্রেসিডেন্ট ডের দীর্ঘ সপ্তাহে। শুরুতে ভালোই আয় করেছিল, কিন্তু দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে পিছিয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডের ছুটির কারণেই প্রথম সপ্তাহে এটি আয় করেছিল ১০ কোটি ডলার। কিন্তু দ্বিতীয় সপ্তাহে দর্শক কমেছে ৬৮ শতাংশ। আয় হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের মতো। উত্তর আমেরিকায় এ সিনেমার শো হয়েছে ৪ হাজার ১০৫টি।

জুলিয়াস ওনাহ পরিচালিত সিনেমাটিতে ক্যাপ্টেনের চরিত্রে প্রথমবারের মতো অভিনয় করেছেন অ্যান্টনি ম্যাকি। এছাড়া আছেন হ্যারিসন ফোর্ড। সিনেমাটি এ সময় হলিউড টপ চার্টের প্রথম স্থান দখল করে আছে। উত্তর আমেরিকা থেকে আয় করেছে ১৪ কোটি ডলারের বেশি। বৈশ্বিক আয় প্রায় ৩০ কোটি ডলারের মতো। এটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৮ কোটি ডলার। সে হিসাবে এখনো খরচের দ্বিগুণ আয় হয়নি।

সিনেমাটি দ্বিতীয় সপ্তাহে পিছিয়ে পড়ার কারণ কী? অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, মুক্তির পর দর্শকের কাছ থেকে ইতিবাচক রিভিউ আসেনি। ফলে নতুন করে দর্শক দেখতে যাচ্ছে না এ সিনেমা। এর আগেও মার্ভেলের সিনেমায় এমন ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালে ‘অ্যান্ট ম্যান অ্যান্ড দ্য ওয়াস্প কোয়ান্টোম্যানিয়া’র আয় কমেছিল ৭০ শতাংশ। ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’র আয় কমেছিল ৪৭ শতাংশ। ‘ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস’ ও ‘থর: লাভ অ্যান্ড থান্ডার’-এর আয় কমেছিল ৬৭ শতাংশ।

মূলত মার্ভেলের নতুন পরিকল্পনা ও সিনেমার ডিজাইন পছন্দ করতে পারছে না দর্শক। অ্যান্টনি ম্যাকিকে ক্যাপ্টেন হিসেবে গ্রহণ করতে না পারার পাশাপাশি সিনেমার গল্পও দর্শক টানতে পারছে না। এছাড়া একের পর এক পরিকল্পনা বদল, সিনেমা বাতিল হওয়া, পুরনো অভিনেতাদের সরে যাওয়া নিয়ে মার্ভেলের এখন অবস্থা সঙ্গিন। এ সবকিছুই পিছিয়ে দিয়েছে ক্যাপ্টেন আমেরিকাকে।

সূত্র: ডেডলাইন