সময়টাকে মানসিক চাপের সময় বলা যায়। সব ধরনের কাজেই একটা প্রতিযোগিতা থাকে। তার সঙ্গে তৈরি হয় মানসিক চাপ। প্রায় প্রতি পেশার মানুষকেই এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। ব্যতিক্রম নন আলিয়া ভাটও। আলিয়া তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী। সম্প্রতি তিনি নিজের মানসিক চাপ কেমন করে মোকাবেলা করেছেন, সে সম্পর্কে বলেছেন। তিনি জানান, অ্যাংজাইটিতে ভুগেছিলেন বেশ কিছুদিন।
আলিয়া বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি অ্যাংজাইটিতে ভুগছি। তবে সেটা সাধারণ কোনো বিষয় নয়। রীতিমতো এডিএইচডিতে (অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিজঅর্ডার) ভুগছিলাম। এটা আমি টের পাই, কেননা সামাজিক নানা অনুষ্ঠানে স্বাভাবিক থাকতে পারছিলাম না। শরীরের তাপমাত্রা রীতিমতো বেড়ে যাচ্ছিল। বেশকিছু বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখতেও সমস্যা হচ্ছিল।’
আলিয়া মনে করেন, তিনি একসঙ্গে অনেক কাজ করতে পারেন। তিনি একজন মাল্টি টাস্কার। কিন্তু মানসিক সমস্যার কারণে এটা পারছিলেন না। আলিয়া বলেন, ‘এরপর আমি পরীক্ষা করাই। একজন পেশাদার মনোচিকিৎসকের কাছেই সেটা করাতে হয়। সেখানেই জানতে পারি আমার অ্যাংজাইটি ও এডিএইচডি আছে।’
মানসিক সমস্যার স্বরূপ জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মাথার মধ্যে নানা ধরনের গুঞ্জন চলতে থাকে। একেক সময় মনে হয়, এটা আমারই মাথা না অন্য কিছু? এ রকম কেন হচ্ছে, উত্তরটা খুঁজে পেলে জীবনযাপন সহজ হয়।’
নিজের সমস্যার কথা জানার মাধ্যমে তার পক্ষে এর সমাধান করা সহজ হয়ে ওঠে। বিষয়টা তিনি নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিয়েছেন। কোনো রকম ওষুধ নিচ্ছেন না তিনি। আলিয়া বলেন, ‘আমি কোনো ওষুধ সেবন করছি না। চাইলে সেটা করা যায়, কিন্তু আমি ওদিকটায় যাইনি। কেবল নিজের মতো করে কাজ করেছি। বিষয়টা সামলে নিতে পেরেছি।’
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










