মেহেদি হাসান হৃদয় পরিচালিত রোমান্টিক থ্রিলার সিনেমাটি মুক্তির পরই দর্শক ও সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রির হিট ‘বরবাদ’ নির্মাতার এ সিনেমা এবার দেশের সীমানা ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক পরিবেশক হিসেবে রয়েছে গ্যালাক্সি মিডিয়া। গতকাল থেকে উত্তর আমেরিকার নয়টি শহরে সিনেমাটির শো চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রধান প্রধান এএমসি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে রাক্ষস। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি থিয়েটার হলো কলোরাডোয় এএমসি হাইল্যান্ডস র্যাঞ্চ ২৪ এবং এএমসি ফোর্ট কলিন্স ১০, ফ্লোরিডায় এএমসি অ্যাভেন্টুরা মল ২৪ এবং এএমসি সানসেট প্লেস ২৪; নিউ জার্সিতে এএমসি জার্সি গার্ডেনস ২০, এএমসি ব্রান্সউইক স্কয়ার ১৩ এবং এএমসি চেরি হিল ২৪, পেনসিলভানিয়ায় এএমসি নেশামিনি ২৪ (এখানে ২২ এপ্রিল থেকে প্রদর্শিত হবে); ম্যাসাচুসেটসে এএমসি বার্লিংটন ১০; মিশিগানে এএমসি ফোরাম ৩০; ওহাইওতে এএমসি ইস্টন টাউন সেন্টার ৩০; নর্থ ক্যারোলিনায় এএমসি ক্ল্যাসিক জ্যাকসনভিল ১৬ ও ওকলাহোমায় এএমসি পেন স্কয়ার মল ১০।
এ উপলক্ষে নিউইয়র্কের একটি পার্টি হলে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সাংবাদিক ও বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা।
গ্যালাক্সি মিডিয়ার কর্ণধার বদরুদ্দোজা সাগর বলেন, ‘আমরা সবসময়ই ভিন্নধর্মী ও শক্তিশালী গল্পের বাংলা সিনেমা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। রাক্ষস এমন একটি চলচ্চিত্র যা শুধু বিনোদনই দেবে না, দর্শককে নাড়িয়ে দেবে ভেতর থেকে। উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহে এটি হবে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।’
ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, যিনি রাক্ষস চরিত্রে এক ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছেন। এরই মধ্যে পোস্টার ও প্রচারণায় তার লুক দর্শকের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। রিয়েল এনার্জি প্রডাকশনের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন আজিম হারুন ও শাহরীন আক্তার সুমি।
পরিচালক মেহেদি হাসান হৃদয় বলেন, রাক্ষস শুধু একটি অ্যাকশন সিনেমা নয়, বরং মানুষের অন্তর্গত অন্ধকার দিক ও প্রতিশোধের গল্পকে নতুনভাবে তুলে ধরবে। দর্শকের জন্য থাকছে চমকপ্রদ ভিজুয়াল, তীব্র নাটকীয়তা এবং এক ভিন্নধর্মী সিনেম্যাটিক অভিজ্ঞতা।’
আন্তর্জাতিক পরিসরে এএমসি থিয়েটারসের মতো বৃহৎ হল চেইনে রাক্ষসের মুক্তি দেশের চলচ্চিত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রবাসী দর্শকের পাশাপাশি ভিন্ন সংস্কৃতির দর্শকের কাছেও সিনেমাটি পৌঁছানোর এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলা চলচ্চিত্রের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।










