২০১৩ সালের সুপারহিট রোমান্টিক ড্রামা ‘রানঝানা’ আবারো এসেছে বড় পর্দায়। তবে সেটা তামিল ভাষায়। নতুন এ সংস্করণে সিনেমাটির সমাপ্তিতেও এসেছে পরিবর্তন। এআই দিয়ে তৈরি সে অল্টারনেট এন্ডিং বা নতুন সমাপ্তি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সেখানে এবার মুখ খুলেছে ছবির প্রযোজনা সংস্থা ইরোস ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া লিমিটেড। রানঝানার অভিনেতা ধানুশ ও পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের প্রকাশ্য বিরোধিতার জবাবে ইরোস স্পষ্ট জানিয়েছে, ছবির সমস্ত অধিকার এবং ক্রিয়েটিভ পরিবর্তন ও সম্পাদনা তাদের একক মালিকানাধীন।

এআই নিয়ে তৈরি সংস্করণটি সম্প্রতি তামিল ভাষায় ‘অম্বিকাপাথি’ নামে পুনঃরিলিজ করা হয়েছে। মূলত এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ধানুশ ও আনন্দ এল রাই এ নতুন সমাপ্তিকে ‘মূল সৃষ্টির প্রতি অবমাননা’ হিসেবে উল্লেখ করে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে এসব অভিযোগের জবাবে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইরোস জানিয়েছে, এআই সহায়ক সংস্করণটি আইনসম্মতভাবে নির্মিত ও মানুষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে এবং শুধু তামিল ভাষাভাষীদের জন্যই এ সংস্করণ তৈরি। তারা জোর দিয়ে বলে, মূল রানঝানা অক্ষত রয়েছে এবং সমস্ত প্লাটফর্মে আগের মতোই পাওয়া যাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এটি কোনোভাবেই মূল রানঝানার স্থলাভিষিক্ত হয়নি বা এটিকে পরিবর্তনও করেনি। বরং এটি সিনেমার ইতিহাসে প্রচলিত পুনঃরিলিজ ও সৃজনশীল ধারাবাহিকতার অংশ।’

ইরোস সাফ জানায়, তারা রানঝানার একমাত্র অর্থায়নকারী, প্রযোজক ও মেধাস্বত্বের অধিকারী এবং ভারতীয় কপিরাইট আইনের অধীনে ছবির সব নৈতিক ও সৃষ্টিশীল অধিকার তাদেরই। সেই সঙ্গে এ সিনেমায় ধানুশকে নেয়ার ক্ষেত্রে পরিচালক আনন্দ এল রাইয়ের ‘ব্যক্তিগত বিনিয়োগ’ ছিল বলেও যে দাবি উঠেছে, সেটাকে ইরোস ‘তথ্যগত ভুল ও আইনগতভাবে মূল্যহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরোসের বক্তব্য, ‘রানঝানার প্রযোজনা ও আর্থিক কাঠামোয় আনন্দ এল রাইয়ের কোনো ব্যক্তিগত বিনিয়োগ নেই। প্রকল্পের সব ঝুঁকি ইরোস একাই নিয়েছে এবং শতভাগ মালিকানাও আমাদের।’

সূত্র ও ছবি: বলিউড হাঙ্গামা