সময়ের সঙ্গে নিজেকে ভেঙে গড়ে নিয়মিতই নতুনভাবে উপস্থাপন করছেন তিনি। অভিনয় দক্ষতায় হয়ে উঠেছেন নির্মাতাদের আস্থার নাম এবং দর্শকের পছন্দের তারকা। চলচ্চিত্র, ওটিটি প্লাটফর্ম ও বিজ্ঞাপন সব ক্ষেত্রেই সমান দাপটে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে একাধিক সিনেমা ও ওয়েব ফিল্মের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ অভিনেত্রী।

এরই মধ্যে প্রায় শেষ করেছেন দুটি সিনেমার কাজ। সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘মালিক’ সিনেমার কাজ শেষের পথে। অন্যদিকে আলভী আহমেদ পরিচালিত ‘জীবন অপেরা’ সিনেমার শুটিং চলছে পুরোদমে। এছাড়া সম্প্রতি একটি ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য ‘লাইফ লাইন’ নামের ফিল্মের কাজ শেষ করেছেন তিনি, যা পরিচালনা করেছেন কাজী আজাদ।

সিনেমা ও ওয়েব ফিল্মের বাইরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও নিয়মিত কাজ করছেন মিম। ২০১৬ সাল থেকে লাক্সের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। এছাড়া ২০২২ সাল থেকে ইউনিসেফের অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সিনেমা ও ওটিটির কাজ প্রসঙ্গে মিম বলেন, ‘লাইফ লাইন ওয়েব ফিল্মটার চরিত্র আমার কাছে ভালো লেগেছে। একজন সাধারণ মেয়ের এক অন্য রকম জীবনের গল্পের ওয়েব ফিল্ম এটি। নির্মাতা ভীষণ যত্ন নিয়ে কাজটি করেছেন। অন্যদিকে সাইফ চন্দনের পরিচালনায় ‘‘মালিক’’ সিনেমার কাজও প্রায় শেষ। শুটিং চলছে আলভী আহমেদের ‘‘জীবন অপেরা’’ সিনেমার। এর আগে রাজের সঙ্গে আমার অভিনীত ‘‘পরাণ’’ সিনেমাটি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিল। আশা করছি, জীবন অপেরা সিনেমাটিও সবার অনেক ভালো লাগবে। সিনেমার গল্প ও আমার চরিত্রটি ভীষণ পছন্দ হয়েছে। যে কারণে প্রত্যাশা একটু বেশি।’

ব্যস্ততার এ ধারাবাহিকতায় মিমের সামনে আরো সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভিন্নধর্মী গল্প ও চরিত্রে নিজেকে প্রমাণ করে তিনি যে ধারাবাহিক সাফল্যের পথে এগোচ্ছেন, তাতে নতুন কাজগুলো নিয়েও দর্শকের প্রত্যাশা বাড়ছে।

উল্লেখ্য, বিদ্যা সিনহা মিম ২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে শোবিজ অঙ্গনে পথচলা শুরু করেন। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই তিনি দর্শকের নজরে আসেন এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অভিনয়জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করে নেন। ছোট পর্দা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং আজ তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রীদের একজন।