দুই দশক আগে ১৯৯৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল বিজ্ঞান কল্পকাহিনীভিত্তিক চলচ্চিত্র দ্য ম্যাট্রিক্স। এ ছবি দিয়েই কানাডার অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী কিয়ানু রিভস জনপ্রিয়তা পান। এরপর ২০০৩ সালের শুরুতে ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রিলোডেড’ এবং ওই বছরের শেষ দিকে ‘দ্য ম্যাট্রিক্স রেজল্যুশন’ দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। দেড় দশকেরও বেশি সময় পর সম্প্রতি ম্যাট্রিক্স ফোর নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন পরিচালক লানা ওয়াচোস্কি। তিনি নিজেই চতুর্থ সিরিজটির চিত্রনাট্য লিখেছেন।

চলচ্চিত্রটিতে চিরচেনা সেই ‘নিও’ রূপে ফিরছেন কিয়ানু রিভস। ‘আমি ম্যাট্রিক্স ফোরের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী চিত্রনাট্যটি পড়েছি এবং নিও হিসেবে ফিরে আসার অপেক্ষায় আছি।’

চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করছে ওয়ার্নার ব্রস পিকচার্স। গত মাসে তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাট্রিক্স ফোর নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়। ওয়াচোস্কির চিত্রনাট্যটিতে সহলেখক ছিলেন আলেকক্সান্ডার হেমন ও ডেভিড মিচেল। যদিও চলচ্চিত্রটির বিষয়ে কেউই খুব বেশি তথ্য দিতে রাজি হননি। কিয়ানু রিভস ইন্টারটেইনমেন্টকে বলেছেন, আমি চিত্রনাট্যটি পড়েছি। এটা যেমন হওয়া উচিত, তেমনই অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী। তার সঙ্গে ‘ট্রিনিটি’ চরিত্র নিয়ে ফিরে আসছেন সহ-অভিনয়শিল্পী কেরি-অ্যান মস।

লানা ওয়াচোস্কি ও লিলি ওয়াচোস্কি দুই ভাই-বোন মিলে রচিত ও পরিচালিত প্রথম তিনটি ম্যাট্রিক্স দুর্দান্ত হিট হয়েছিল। ম্যাট্রিক্সে এমন একটি ভবিষ্যতকে চিত্রায়ণ করা হয়েছে, যেখানে মানুষ যে বাস্তবতাকে ধারণ করে সেটি আসলে একটি নকল বাস্তবতা, যার নাম ম্যাট্রিক্স। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্ররা মানুষের শরীর থেকে নিজেদের চালিকাশক্তি গ্রহণ করতে এ ম্যাট্রিক্সের মাধ্যমে মানুষকে গাণিতিক বাস্তবতায় বন্দি করে রাখছে। নিও নামে একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার এ সত্যটি উদ্ঘাটন করে এবং যন্ত্রগুলোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হয়।

 

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস