আজ যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের রমফোর্ডের মেফেয়ার ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ১৬তম লন্ডন বাংলা বইমেলা ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক উৎসব। এ আয়োজনের প্রধান সমন্বয়ক উদীচী যুক্তরাজ্যের সভাপতি গোলাম মোস্তফা।
বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন এবার এ উৎসবে সংগীত পরিবেশন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন দেশের প্রখ্যাত তবলাশিল্পী চন্দন দত্ত ও মনোয়ার হোসেন টুটুল, পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের স্থানীয় মিউজিশিয়ানরাও অংশ নেবেন।
চন্দন দত্ত জানান, ‘আজকের আয়োজনে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে একই মঞ্চে গান গাইবেন কলকাতার প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী মৌসুমী ভৌমিক।’ দিনব্যাপী এ উৎসবে গানের পর্ব শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।
সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘এ আয়োজনে আমাকে সম্পৃক্ত রাখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি প্রধান সমন্বয়ক গোলাম মোস্তফা ভাইকে। সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই লন্ডন বাংলা বইমেলা ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক উৎসবের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে। এ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের জন্য আমি ১২ অক্টোবর লন্ডনে এসেছি। এর আগেও লন্ডনে শো করেছি, তবে এবারের আয়োজনটি একেবারেই ভিন্ন। আশা করছি, আজ সবার সঙ্গে দেখা হবে, কথা হবে, গানে গানে গল্প হবে। সবাইকে আজকের আয়োজনে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’
তিনি আরো জানান, ২৫ অক্টোবর দেশে ফিরবেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে ‘ভিসা প্রেজেন্টস’ একটি বিশেষ আয়োজনে গান পরিবেশন করেন সাবিনা ইয়াসমিন। তার আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়, যা শিল্পকলার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
১৯৬২ সালে এহতেশাম পরিচালিত ‘নতুন সুর’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম গান করেন সাবিনা ইয়াসমিন। পরে ১৯৬৭ সালে আলতাফ মাহমুদের সংগীত পরিচালনায় ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমায় ‘মধু জোছনা দীপালি’ গানটির মধ্য দিয়ে প্লে-ব্যাক গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
এ বরেণ্য শিল্পী ১৯৮৪ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি তিনি সর্বোচ্চ ১৪ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।










