সাংস্কৃতিক রাজধানীখ্যাত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানতম ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন তথা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক প্রথম নাট্য সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার। সংগঠনটি ৪৫ বছর ধরে নাট্যচর্চা করে আসছে। এটি প্রতি বছরের মতো এ বছরও নাট্যোৎসব করছে। ‘শিল্পানলে নির্মল হোক অশান্ত বসুধা’ স্লোগানকে ধারণ করে গতকাল শুরু হয়েছে এ উৎসব। সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে চার দিনব্যাপী নাট্যোৎসবটি শেষ হবে ১৬ মে।
উৎসবের প্রথম দিন থাকছে নাট্যোৎসব ২০২৫-এর উদ্বোধনী ও আনন্দ র্যালি। র্যালি শুরু হবে সকাল ১০টায়। একই দিনে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে থাকছে নাট্যদল বাতিঘরের প্রযোজনা ‘প্যারাবোলা’। দ্বিতীয় দিন ১৪ মে থাকবে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের প্রযোজনা ‘ইনফরমার’। মঞ্চস্থ হবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। ১৫ মে থাকছে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের গান ও কবিতার আসর ‘মধ্যরাতের কবিতা ও গান’, যেখানে আরো অংশ নেবেন ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। উৎসবের শেষ দিন ১৬ মে দিনব্যাপী থাকছে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটারের পুনর্মিলনী। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো থাকছে গুণীজন সম্মাননা।
এ বছর নাট্যব্যক্তিত্ব হিসেবে ১৩ মে অভিনেতা আবুল হায়াতকে ও ১৪ মে শিক্ষাব্যক্তিত্ব হিসেবে অধ্যাপক ড. খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমানকে মরণোত্তরভাবে জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার পদক প্রদান করা হবে। এ আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার বণিক বার্তা।










