২০২৪ সালে দক্ষিণ ভারতে বেশকিছু চমৎকার সিনেমা এসেছে। ২০২৫ সালের সিনেমা এখনো আসতে শুরু করেনি। তবে যারা চব্বিশের সিনেমা এখনো দেখে ওঠেননি, তারা দেখতে পারেন সিনেমাগুলো।

মহারাজা: বিজয় সেতুপতি অভিনীত সিনেমাটি নিয়ে বেশ আলোচনা ছিল গত বছর। তিনি ছাড়াও অভিনয় করেছেন অনুরাগ কাশ্যপ। থ্রিলারে মোড়া সিনেমাটির মূল গল্প মূলত এক পিতার প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা। মাত্র ২০ কোটি রুপিতে তৈরি সিনেমা শুধু স্টোরি টেলিং আর দুই অভিনয়ের জোরেই ১০৮ কোটি রুপি ব্য়বসা করেছে!

অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট: কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত সিনেমা। প্রভা, অনু ও পার্বতীর গল্প মন ছুঁয়েছে বিশ্ব সিনেসমালোকদেরও। নারীদের মধ্যে সিস্টারহুড ছাড়া অন্ধকার পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আর যে কোনো বিকল্প রাস্তা নেই, সেটা নির্মাতা পায়েল কাপাডিয়া বুঝিয়েছেন এ সিনেমায়। ভারত থেকে অস্কারে পাঠানো না হলেও সিনেমাটি স্বতন্ত্রভাবে সেখানে প্রতিযোগিতা করবে। বারাক ওবামার পছন্দের সিনেমার তালিকায়ও আছে এটি।

মানজুমেল বয়েজ: বন্ধুত্বের গল্প এটি। চব্বিশের অন্যতম চর্চিত সিনেমা। গল্প বলায় দক্ষিণী সিনেমা কতটা এগিয়ে, সেটা আরো একবার প্রমাণ করেছে মানজুমেল বয়েজ। চব্বিশে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের হলেও শেষ পর্যন্ত পরম বন্ধুত্বের জয়গান গেয়ে ওঠে! খুবই কম বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম বক্স অফিস হিট।

মিয়াজাগা: ‘৯৬’ নিয়ে দর্শকের উচ্ছ্বাস এখনো দেখা যায়। তৃষা কৃষ্ণান ও বিজয় সেতুপতি অভিনীত সিনেমাটি পরিচালনা করছিলেন সি প্রেমকুমার। মিয়াজাগা তার সর্বশেষ সিনেমা। এ গল্প কতটা হৃদয়ের কাছের, সেটা না দেখলে বোঝানো যাবে না। সিনেমায় কার্থি ও অরবিন্দ স্বামীর দুর্দান্ত অভিনয়ে মুগ্ধ হননি এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

কল্কি ২৮৯৮ এডি: পুরোপুরি দক্ষিণ ভারতের না সিনেমাটি। প্যান ইন্ডিয়ান বলা যায়। অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, দীপিকা পাড়ুকোন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও প্রভাস। সায়েন্স ফিকশন ও বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমা হলেও নির্মাণে এমন কিছু বিষয় আছে, যা ভারতের আর ১০টা সিনেমায় দেখা যায় না। কল্কি তাই সিনেমাপ্রেমীদের জন্য একটা ভালো অভিজ্ঞতা।