ডিজনি ও অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবেলায় নেটফ্লিক্সের ব্যয় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। সম্প্রতি তারা এনবিসিইউর জুরাসিক পার্ক ও ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের স্বত্ব কিনে নিয়েছে। দখলে এসেছে ক্রনিক্যালস অব নারনিয়া আর বেবিসিটার ক্লাবের স্বত্বও। রোল্ড ডালের স্ত্রীর সঙ্গেও নতুন চুক্তি হয়েছে, ‘রিইমাজিন অ্যান্ড এক্সটেন্ড’ নাম দিয়ে নতুনভাবে তারা হাজির করবে রোল্ড ডালের রচনাবলিকে
হলিউডের প্রাণকেন্দ্রে নেটফ্লিক্সের অ্যানিমেশন শাখায় গেলে যে কারো চোখ কপালে উঠবে, তিন দালানজুড়ে যাদের দেখা যাবে তারা অনেকেই একসময় ডিজনি অন্তঃপ্রাণ কর্মী ছিলেন। ডিজনির হয়ে অনেক জনপ্রিয় কার্টুন ছবির স্রষ্টা তারা। কিন্তু এখন তাদের সবার ঠিকানা হয়েছে নেটফ্লিক্স অ্যানিমেশন। ডিজনি চ্যানেল হেডকোয়ার্টারে খুব অ্যানিমেটরও রয়ে গেছেন।
ক্রিস নি নামের অ্যানিমেটর, তার হাত দিয়ে ডিজনির চ্যানেলের বিপুল সাড়া জাগানো সিরিজ ডক ম্যাকস্টাফিনস তৈরি হয়েছিল, সেও গত ডিসেম্বর থেকে নেটফ্লিক্সে। তাকে অনুসরণ করে ডিজনি থেকে এসেছেন আলেক্স হার্স, তিনি ডিজনির জন্য বানিয়েছিলেন গ্র্যাভিটি ফলস। এ রকম আরেকজন নাকেতা মাটকস, তিনি ছিলেন ডিজনি চ্যানেলের নির্বাহী। তার তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছিল জনপ্রিয় ছবি ডিসেনডেন্টস, তিনি এখন নেটফ্লিক্স পারিবারিক ছবি নির্মাণ ইউনিটের প্রধান। নাকেতা নেটফ্লিক্সের জন্য দল গড়েছেন আরেক ডিজনি কিংবদন্তি কেনি ওরতেগার সঙ্গে। ওরতেগা পরিচিত তার ব্লকবাস্টার হাই স্কুল মিউজিক্যাল ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য।
‘কেনি নেটফ্লিক্সকে তার সৃষ্টিশীলতার ঘরবাড়ি বানিয়ে নিয়েছে, সে ফিচার ফিল্ম আর রোমাঞ্চকর সব সিরিজ নিয়ে কাজ করছে,’ নেটফ্লিক্স প্রধান কনটেন্ট কর্মকর্তা টেড সারানডনের উচ্ছ্বাস ওরতেগাকে নিয়ে।
ডিজনির সব মাথাকে নিজের ঘরে নিয়ে আসার আগেও নেটফ্লিক্সের ছোটদের জন্য কার্যক্রম ব্যাপকভিত্তিকই ছিল। বেশ ক’বছর ধরেই নেটফ্লিক্স পরিবারগুলোয় ডিজিটাল বেবিসিটারের সফল সেবা দিয়ে এসেছে, মাসে মাসে বিশ্বজুড়ে তাদের গ্রাহক










