ভারতের দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। রাজনীতি সম্পৃক্ত হয়ে নতুনভাবে আলোচিত হয়েছেন। তার শেষ সিনেমা ‘জননায়কন’। এ সিনেমার পর পাকাপাকিভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আগেই। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ‘জননায়কন’। এরই মধ্যে ১ কোটি টাকার টিকিটের অগ্রিম বুকিং হয়েছে। ৯ জানুয়ারি এ সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঠিক দু’দিন আগে তা আটকে দেয়া হয়। এ কারণে সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে সেন্সর বোর্ডের টানাপড়েন চলছে।
শুক্রবার সকালে মাদ্রাজ হাইকোর্টের একক বিচারপতির বেঞ্চ সিনেমাটির পক্ষে রায় দেয়। তবে একই দিনে পরে প্রধান বিচারপতি মনীন্দ্র মোহন শ্রিবাস্তবের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ সে রায়ে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ ঠিক করেছেন আগামী ২১ জানুয়ারি।
ফলে পঙ্গল উৎসবে ছবি মুক্তির পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এসব ঘটনার মধ্যে প্রযোজক ভেঙ্কট কে নারায়ণ গত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমার সেন্সর ছাড়পত্র নিয়ে কী কী ঘটেছে, তা তুলে ধরেন। পাশাপাশি দলটি যে অনিশ্চয়তার মুখে আছে, সেটিও জানান।
কেভিএন প্রডাকশনসের অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সে ভিডিওতে প্রযোজক ভেঙ্কট কে নারায়ণ জানান, বিষয়টি আদালতে চলমান থাকায় সব কথা বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন ‘১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সিনেমাটি সিবিএফসি-তে (ভারতের সিনেমা সেন্সর বোর্ড) জমা দেয়া হয়। নির্বাচক কমিটি এটি দেখেন। ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ আমরা একটি ই-মেইল পাই, যেখানে বলা হয়, কিছু পরিবর্তন সাপেক্ষে এ সিনেমাকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে। আমরা প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো যুক্ত করে আবার ছবিটি জমা দিই এবং মনে করি, এবার আমরা আমাদের কাজ দর্শকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারব। তবে আনুষ্ঠানিক সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি। যদিও আমরা নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করেছি।’
ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, অনেকেই মনে করছেন থালাপতির সিনেমার মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। শোনা যাচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ের দল নাকি বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধতে আগ্রহী নয়। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর সঙ্গে থালাপতির ঘনিষ্ঠতা বেশি।










