রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশীদের জীবিকা ও জীবনমান উন্নয়নে কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন প্রকল্প চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউএসএআইডির ‘হোস্ট অ্যান্ড ইমপ্যাক্টেড কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স অ্যাকটিভিটি’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার প্রস্তুতিতে সহায়তা করা হবে।

আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি জ্যাকবসন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান যৌথভাবে প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।

WhatsApp Image 2025-01-20 at 18.44.06

স্থানীয় সংস্থা ফ্রেন্ডস ইন ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশের (এফআইভিডিবি) নেতৃত্বে পরিচালিত এ প্রকল্পে জনগণের চাকরির দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। প্রকল্পটি ৩৫ হাজার হেক্টরেরও বেশি ভূমি রক্ষায় কাজ করবে এবং মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও কর্তৃপক্ষকে একত্রিত করবে।

ট্রেসি জ্যাকবসন বলেন, টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং স্থানীয় দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে। আমরা সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় জনগণকে একত্রিত করে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সম্পদ ব্যবহারে সহায়তা করছি।

এ প্রকল্প মার্কিন সরকারের রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অংশ। এর মধ্যে বাংলাদেশে শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য ২.১ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পের অধীনে এফআইভিডিবি নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (এনএসিওএম), ডেভওয়ার্কস ইন্টারন্যাশনাল, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল, ক্রিশ্চিয়ান এইড এবং ইন্টারন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ ফর ইমপ্যাক্ট ইভালুয়েশনের সঙ্গে কাজ করবে। স্থানীয় অংশীদার হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামের আনন্দ, আশিকা ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েটস ও বলিপাড়া নারী কল্যাণ সমিতি প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত থাকবে।