দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আরো ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ১ হাজার ৩৬ জন। নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৪০ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে সবচেয়ে বেশি রোগী মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে নিশ্চিত হামে দুজন ও উপসর্গে দুজন মারা গেছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া নিয়মিত এ পরিসংখ্যানে বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। রোগতত্ত্ববিদরা বলছেন, হাম সব বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হয়। প্রাদুর্ভাবের সময় হামের উপসর্গ নিয়ে যত মৃত্যু হচ্ছে, তার সবই হামে মৃত্যু বলে বিবেচনা করা হয়।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরো ১ হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেয়া রোগীর সংখ্যা হয়েছে ২ লাখ ২৯৩।
এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১০ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ২০ জনে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৭৩ জন।










