বিএনপির গণসমাবেশ ঘিরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল। সমাবেশের দুইদিন আগে বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ রয়েছে সকল ধরনের নৌযান। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাস ও থ্রি হুইলারও। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভাগের ছয় জেলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।
বৃহস্পতিবার বরিশালে বিএনপির গণসমাবেশের দুইদিন আগেই বরিশাল-ভোলাসহ অভ্যন্তরীণ সকল রুটের লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে বরিশাল নদীবন্দর ও ডিসি ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ও স্পিডবোট ছেড়ে যায়নি। তেমনি কোনো নৌযানও বরিশালে আসেনি। এরই মধ্যে আজ শুক্রবার সকাল থেকে বাসসহ থ্রি হুইলার বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়।
প্রায় সবধরনের যানবাহন বন্ধের ঘোষণার আগেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে অনেক নেতাকর্মী বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে সমাবেশে যোগ দিতে বরিশালে চলে গিয়েছেন। তারা সমাবেশস্থল এবং আশপাশের বিভিন্ন হোটেলে থাকতে শুরু করেছেন। তবে বুধবার রাতে নগরীর আবাসিক হোটেলগুলোতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।
এদিকে বিএনপির গণসমাবেশকে ঘিরে বরিশালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। আগামীকাল ৫ নভেম্বরের বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজপথে নেমেছে। গত কয়েকদিন থেকে তারা ধারাবাহিকভাবে মিছিল, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করছেন।
অন্যদিকে আগামী ১১ নভেম্বর ঢাকায় যুবলীগের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ সফল করতে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত বরিশালে প্রতিদিন সব ওয়ার্ডে মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুবলীগ। বুধবার রাতে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়কের নেতৃত্বে মোটরসাইকেল শোডাউনও করা হয়েছে।









