যশোর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উদ্যোগে জেলায় ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে চারটি সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একটি চলমান। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গতি এসেছে।
যশোর শহরের বারান্দীপাড়া সেতুটি নির্মাণ করা হয় ২০১২ সালে। ৪ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটির দৈর্ঘ্য ৩০ দশমিক ৫০ মিটার ও প্রস্থ ৭ দশমিক ৩০ মিটার। শহরের বাবলাতলায় ৩০ দশমিক ৪৯ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি করা হয়েছে ৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে, বাঘারপাড়া সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৪৭ লাখ টাকায়। খাজুরা সেতুটি করা হচ্ছে ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে। ৮২ দশমিক ৯৮ মিটার সেতুটির নির্মাণকাজ চলমান। চৌগাছা বাজারের ওপর ৫০ দশমিক ১৪ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে।
শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর জাহাঙ্গির আহমেদ শাকিল জানান, সেতুটি নতুনভাবে করার কারণে যশোর-ঢাকা রুটে যানবাহনসহ মানুষের চলাচল সহজ হয়েছে।
চৌগাছা এলাকার বাসিন্দা বাবুল আক্তার জানান, সেতুটি হওয়ার কারণে আমাদের অঞ্চলের সরুপদাহ, সুখপুকুড়িয়াসহ নারায়ণপুর ইউনিয়নের অন্তত ৫০ গ্রামের মানুষের চলাচলের মাধ্যম সহজ হয়েছে। এছাড়া মহেশপুর থেকে যারা আসে তারাও ওই সেতুটি ব্যবহার করে। খাজুরা সেতুটি নির্মাণকারী ঠিকাদার পাটোয়ারি বাবু জানান, আমরা যথাযথভাবে সেতুটি নির্মাণকাজ শুরু করেছি। সেতুটি চালু হলে আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। আশা করি, আগামী বছরের প্রথম দিকে কাজ শেষ করতে পারব।
এ ব্যাপারে সওজ বিভাগ যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, আমরা সেতুগুলো নির্মাণ করার কারণে যানবাহন ও মানুষ চলাচলের জন্য সহজ হয়েছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে পণ্যবাহী যান চলাচল সহজ হওয়ার কারণে অর্থনীতিতে গতি এসেছে।










