রাজশাহী নগরীর বর্জ্য থেকে জ্বালানি ও জৈবসার তৈরিতে চীনকে প্রস্তাব দিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নগর ভবনে মেয়রের দপ্তর কক্ষে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন রাসিক মেয়র। বৈঠকে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

রাসিক মেয়র লিটন বলেন, চীন আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশ এবং অন্যমত উন্নয়ন সহযোগী। রাজশাহীতে পানি শোধনাগার নির্মাণে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পদ্মা নদীর পানি শোধন করে রাজশাহী নগরী ছাড়াও গোদাগাড়ী, কাটাখালী এবং নওহাটা এলাকায় সরবরাহ করা হবে। একটা স্বাক্ষর হলেই চীনা এক্সিম ব্যাংক প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় করবে। এরপরই প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে।

তিনি বলেন, আমরা রাজশাহী নগরীর সলিড বর্জ্য শোধন না করে ফেলে দেই। কিন্তু বিশ্বে এসব বর্জ্য টিটমেন্ট করে জ্বালানি ও জৈবসার তৈরি করা হয়। চীনা রাষ্ট্রদূতকে জ্বালানি ও সার তৈরির বিষয়ে প্রস্তাবনা দিয়েছি। তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া শহরের নালা দিয়ে বয়ে যাওয়া বর্জ্য মিশ্রিত পানি শোধন করে কৃষি কাজে ব্যবহারের উপযোগী করার বিষয়েও কথা হয়েছে। এ বিষয়ে তারা প্রস্তাবনা চেয়েছে। দেশের বন্ধ পাটকল, চিনিকল ও টেক্সটাইলমিল ভাড়ায় চালাতে প্রস্তুত চীন। সরকারের প্রস্তাব পেলে তারা গ্রহণ করবে।

চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, পাবনা ইপিজেডে ৫টি চীনা কোম্পানি কাজ করছে। এছাড়া আরো ৬টি কোম্পানি আসছে। আরো বেশ কিছু কোম্পানি বাংলাদেশের এ অংশে বিনিয়োগে আগ্রহী। ব্যবসার ভালো পরিবেশ থাকায় আগ্রহী হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। এসময় রাজশাহী নগরীর সৌন্দর্যে নিজের মুগ্ধতার কথা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।

এসময় রাসিকের প্যানেল মেয়র রজব আলী, তাহেরা খাতুন মিলি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড.এবিএম শরীফ উদ্দিন, রাসিক কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, আরমান আলী, উম্মে সালমা বুলবুলি, আয়েশা খাতুন, প্রধান প্রকৌশলী নূর ইসলাম তুষার প্রমুখ।