বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নে ৫ বছরের এক শিশু ও দুই নারী নতুন করে করোনভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের করোনা পরীক্ষাগারে এ তিনজনের নমুনা পরীক্ষার পজিটিভ ফল পাওয়া গেছে। অন্যদিকে থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের বড়মদকপাড়ার পূর্বে শনাক্ত ব্যক্তির দ্বিতীয় পরীক্ষার ফলও পজিটিভ পাওয়া গেছে। জেলায় এ পর্যন্ত কারোনাবাইরাসের আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা আটজন হলো। এরমধ্যে এক ব্যক্তি সুস্থ হয়ে গত রবিবার রিলিজ পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সিভিল সার্জন।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, গতকাল কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে হওয়া পরীক্ষায় ৫ বছরের এক শিশুসহ দুই নারী নতুন করে করোনভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এ তিনজনই গত সোমবার শনাক্ত হওয়া এবং বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ২৭ বছর বয়সী নারীর স্বজন। তাদের বাড়ি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কম্বোনিয়া এলাকায়। নতুন শনাক্তদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার রাতে পাওয়া নমুনা পরীক্ষায় থানচি উপজেলার দুই ব্যক্তির ফল পজিটিভ আসে। এর মধ্যে উপজেলায় রেমাক্রী ইউনিয়নের বড়মদকপাড়ার ব্যক্তির গতকাল হওয়া দ্বিতীয় পরীক্ষায় পূণরায় পজিটিভ ফল পাওয়া গেছে। জেলায় এ পর্যন্ত এক শিশুসহ ৮ জন করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে গত ১৬ তারিখে জেলায় প্রথম শনাক্ত হওয়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় তাবলীগ ফেরত ৬৯ বছর বয়সী ব্যক্তি সুস্থ হয়েছেন। গত রবিবার রিলিজ পেয়ে তিনি তুমব্রু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে কোনারপাড়ার নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন। 

অপরদিকে থানচি উপজেলায় শনাক্ত দুই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ৩৮ জন ১৪ দিনের মধ্যে ১১তম দিনের মতো হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. অংসুইপ্রু মারমা বণিক বার্তাকে বলেন, নাইক্ষ্যংছড়িতে শিশুসহ দুই নারী নতুন করে করোনভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ৮ জন করোনাভাইরাস পজিটিভ হয়েছে। এরমধ্যে এক ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। শনাক্ত হওয়া শিশুকে বিশেষ সেবাসহ অন্যদের আইসোলেশন ইউনিটে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া বলে বলে জানান তিনি।