ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দেয়া ভারতের ১০টি ব্রডগেজ রেলইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) আজ বিকালে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় এসে পৌঁছেছে। ইঞ্জিনগুলো ভারতীয় রেলকর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের দর্শনা ও ভারতের গেদে ইন্টারকানেকশন পয়েন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে।
বাংলাদেশের রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন রেলভবন থেকে এবং ভারতের রেলমন্ত্রী পিযূষ গোয়েল দিল্লি থেকে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এই হস্তান্তর কাজ শেষ করেন।
এদিন বিকাল সাড়ে ৪টার সময় লোকোমোটিভগুলো নানা রঙের ফুল দিয়ে বর্ণিল সাজে ভারত থেকে বাংলাদেশের দর্শনা সীমান্তের জয়নগরে প্রবেশ করে। এখানে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে ভারতীয় রেল চালকসহ অন্যদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করেন।
ইঞ্জিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর, বাংলাদেশ রেলওয়ের জিএম (পশ্চিম) মিহির কান্তি গুহ, অতিরিক্ত মহা-পরিচালক (রেলভবন) মনজুর উল আলম চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আল ফাত্তাহ মাসউদুর রহমান, প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মো.কুদরাত-ই খোদা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (পাকশি) মো.আসাদুল হক, চীফ সুপারিনটেনডেন্ট মো.শহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু, দর্শনা পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে ৬ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধি দলের পক্ষে কলকাতা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (ইঞ্জিন) অশোক কুমার বিশ্বাসসহ পাঁচজন নেতৃত্ব দেন।
বাংলাদেশের ৭২ শতাংশ লোকোমোটিভের উপযোগিতা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গিয়েছিল। সেই সংকট কাটাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ভারত থেকে গেল বছর লাকোমোটিভ ভাড়া করতে চেয়েছিল, কিন্তু বন্ধু প্রতিম ভারত বাংলাদেশকে ভাড়ায় নয় উপহার হিসাবে এগুলো প্রদান করলো।










