আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের গুলি না করার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সে সঙ্গে, আন্দোলন দমনে পিআরবি অনুসরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সংবিধান অনুসারে কাজ করার নির্দেশ হয়েছেন হাইকোর্ট। বলা হয়েছে, পুলিশকে আইনের বিধান মানতে হবে।

আজ রোববার (৪ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলনের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রিট খারিজ করেন। হাইকোর্ট আরো বলেছেন, সব নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণের অধিকার আছে।

এর আগে, কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি লাইভ রাউন্ড (তাজা গুলি) ব্যবহার না করার নির্দেশনা চেয়ে গত ২৯ জুলাই রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী মানজুর আল মতিন ও আইনুন্নাহার সিদ্দিকা। রিটে আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিচালক, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানকে বিবাদী করা হয়।

এরপর রিটের ওপর গত ২৯ ও ৩০ জুলাই শুনানি হয়। এরপর ৩১ জুলাই রিটটি আদেশের জন্য হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ কার্যতালিকায় ওঠলেও সেদিন দ্বৈত বেঞ্চ বসেননি। অসুস্থতার কারণে বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসাইন দোলন ৩১ জুলাই ও ১ আগস্ট ছুটি নেন বলে জানা গেছে।

আবেদনে সম্প্রতি কোটা আন্দোলন ঘিরে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের যেসব স্বজনকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মুক্তির নির্দেশনা চেয়েও আর্জি জানানো হয়। এর মধ্যে ১ আগস্ট আটক ছয় সমন্বয়ককে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।