জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর খাল দখল করে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি খালের আগরপুর বাজারের অংশে এসব স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। ফলে একসময়ের খরস্রোতা খালটি এখন প্রায় মৃত।

বাবুগঞ্জের সন্ধ্যা নদী থেকে বয়ে যাওয়া এ খাল জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের সঙ্গে পাশের উপজেলা গৌরনদীর সংযোগ স্থাপন করেছে। ওই এলাকার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজের জন্য এ খালের গুরুত্ব রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন এ খাল দখল করে শতাধিক স্থাপনা গড়ে উঠলেও ওই দপ্তরের কেউ তা জানেন না। কোনো প্রকার তদারকি ও নজরদারি না থাকায় আগরপুর বাজার এলাকায় অসাধু ব্যক্তিরা পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন বছরের পর বছর।

খালের বর্তমান অবস্থায় ওই এলাকার কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। সোলাইমান নামের এক কৃষক বলেন, শীত মৌসুমে খাল শুকিয়ে যায়। এতে পানির সংকটে ইরি, বোরো ও রবি শস্যের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা।

গৌরনদীর সড়িকল ও বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের কৃষকরা এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালের স্রোতধারা ফিরিয়ে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খালে অবৈধ দখলের বিষয়ে আলাপকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশালের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মুসফিকুর রহমান বলেন, খালটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দখল করেছেন। বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালের জৌলুশ ফিরিয়ে আনা হবে।