চলতি আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার ১০ ভাগের একভাগও বাস্তবায়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, যারা ধান সংগ্রহ করে তারা আর্দ্রতা আছে বলে অনেক সময় ধান ফেরত পাঠায়। ফলে কৃষক উৎসাহিত হয় না।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে খামাবাড়িতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ও কৃষি তথ্য সার্ভিস পরিদর্শন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলে কৃষি উপদেষ্টা। এ সময় দুটি দফতরের প্রধানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন।

কৃষি উপদেষ্টা খামাবাড়িতে দুটি দফতরের প্রধান কার্যালয় ঘুরে দেখেন ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। এ সময় চাল বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, এখন মোটা চালের দাম কিছুটা কমেছে। তবে চিকন চালের দাম বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির পিছনে করপোরেট প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করে। আবার ব্যবসায়ীরা করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করে বলে জানান তিনি। সরকারি গুদামে কৃষক ধান বিক্রি না করার পেছনে ক্রয়কারী কর্মকর্তাদের দায় আছে বলেও মনে করেন কৃষি উপদেষ্টা।

সিন্ডিকেট নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমরা দৃশ্যমান তেমন কোনো সিন্ডিকেট চিহ্নিত করতে পারিনি। তবে কোনো সিন্ডিকেট হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর কৃষির গুরুত্বপূর্ণ দুটি দফতরে এটিই কৃষি উপদেষ্টার আনুষ্ঠানিক সফর ছিল।