বাসের চালককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বরিশাল-খুলনাসহ সাত রুটে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন শ্রমিকরা। গতকাল সকাল থেকে এ ধর্মঘট চলছে। বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ঝালকাঠি জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. হান্নান শেখ। পিরোজপুর ও ঝালকাঠির বাস শ্রমিকদের দ্বন্দ্বের জেরে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আহত পিরোজপুরের বাসচালক অরবিন্দ কুমার দাস জানান, বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে এসে মঠবাড়িয়া থেকে প্রতিদিনই খালি বাস নিয়ে ফেরার পথে যাত্রী তোলেন ঝালকাঠির বাসের স্টাফরা। এটা করার নিয়ম নেই। বারবার নিষেধ করা হলেও তারা এটা করে আসছে। বিষয়টিতে আমি বাধা দেয়ায় মঠবাড়িয়া থেকে বাস নিয়ে বরিশাল যাওয়ার পথে ঝালকাঠি পৌঁছলে আমাকে ধরে নিয়ে অফিসকক্ষে আটকে রাখা হয়। বাসচালক সুমনের নেতৃত্বে বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারসহ আরো কিছু লোক আমাকে মারধর ও সঙ্গে থাকা নগদ ৩৯ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে আমাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

বরিশাল রূপাতলী বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাউছার হোসেন শিপন বলেন, মঙ্গলবার পিরোজপুর ও ঝালকাঠির শ্রমিকদের মধ্যে মারামারির খবর শুনেছি। গতকাল সকালে বরিশালের বাস বেকুটিয়া ফেরিঘাট থেকে ফিরিয়ে দেন পিরোজপুরের বাস শ্রমিকরা। এর পর থেকেই বরিশাল থেকে খুলনাসহ সাত রুটে বাস চলাচল বন্ধ।