এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গতকাল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, স্মৃতি ও আদর্শ সংরক্ষণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে প্রকৃত শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়নে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল প্রোফাইলিংয়ের কাজ চলছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’-এর আওতায় ৮৪৩ জন শহীদ এবং ১৫ হাজার ৩০ জন আহত যোদ্ধার তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। শহীদ পরিবারের জন্য জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা অনুদান এবং মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হচ্ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ খাতে ৪৪৮ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।