অমাবস্যার প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদী তীরবর্তী রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। আবার কোথাও বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে সাধারণ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়। সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন ফুট পানি বাড়ার পাশাপাশি প্রচণ্ড স্রোত ছিল। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতীরবর্তী কমপক্ষে ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন সড়কে পানি ঢুকেছে। এতে
পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।
বিষখালী নদীতীরবর্তী বড়ইয়া গ্রামের রাসেল হোসেন বলেন, জোয়ারের পানি অনেক পরিবারের বসতঘরে প্রবেশ করেছে। এছাড়া রাস্তাঘাট তলিয়ে চলাচলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ফজলুল হক বলেন, ‘পানি বৃদ্ধির ফলে ফসলের জমি প্লাবিত হলেও তেমন ক্ষতি হবে না। এর কারণ হচ্ছে জোয়ারে পানি উঠলে ভাটায় আবার নেমে যায়। যে পরিমাণ পানি উঠেছে দু-একদিনের মধ্যে এ পানি নেমে গেলে কৃষকের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। তার পরও কৃষি বিভাগ কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) দিপক রঞ্জন দাস বলেন, ‘ঝালকাঠির প্রধান দুটি নদী সুগন্ধা ও বিষখালীর পানি মাঝে মাঝে বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জোয়ারের সময় নদীর পানি প্রায় তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।










