টাঙ্গাইলে নতুন করে আরো পাঁচজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬০ জনে দাঁড়ালো। এদের মধ্যে নাগরপুরে একই পরিবারে চারজন ও ঘাটাইল উপজেলায় একজন।

আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের বাটরা দক্ষিণ পাড়ায় ঢাকা থেকে আসা নূরুল ইসলামের সংস্পর্শে থাকা তার পরিবারের আরো ৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সংস্পর্শে আসা ওই পরিবারের আটমাস বয়সী এক শিশুও আক্রান্ত হয়েছেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই আক্রান্ত বাড়ির আশপাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা হলো বাড়ির কর্তা জয়নাল আবেদিন (৫৫), তার স্ত্রী নূরুন্নাহার বেগম (৫০), ছেলের স্ত্রী মোছা. নাহিদা আক্তার (২৬), নাতনী মরিয়ম (৮ মাস)। এর আগে ঢাকায় আক্রান্ত হন জয়নাল আবেদিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৩০)।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা এর পর একই পরিবারের চারজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পান বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান খান।
 
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, জয়নালের ছেলে নূরুল ইসলাম ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালের ল্যাবে কাজ করতো। মাঝখানে সে বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে আসার খবর পান তার সাথে কর্মরত সহকর্মীদের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ খবরে নূরুল ইসলামের এর মনে করোনা ভীতি জাগে। এরপর সে ৭ মে বাড়ি থেকে ঢাকায় চলে যায়। ঢাকায় গিয়ে বৃহস্পতিবার পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআর এ তার নমুনা দেন। এ সময় নূরুল ইসলামের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু নুরুল ইসলাম এক সপ্তাহ বাড়ি ছিলেন এজন্য তার স্ত্রী সন্তান ও তার বাবা মার নুমনা সংগ্রহ করে রবিবার পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআর এ প্রেরণ করি। মঙ্গলবার রাতে ওই পরিবারের শিশুসহ ৪ জনের দেহে করোনা পজিটিভের রিপোর্ট আসে। প্রাথমিকভাবে তাদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।