স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছেন—এমন অভিযোগ তুলে তার বক্তৃতার সময় তীব্র আপত্তি জানান বিরোধী দলের সদস্যরা। এ সময় হইচই, হট্টগোলে প্রায় ১০ মিনিট সংসদ কার্যত অচলাবস্থায় ছিল। স্পিকার বারবার চেষ্টা করেও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আসনে বসাতে পারেননি। পরে বিরোধী দলের আপত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করার কথা জানালেও পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক শান্ত হয়নি। একপর্যায়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, তিনি এ সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত।
এছাড়া গতকাল সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল তোলার আগে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। রাত ৮টার দিকে বিল উত্থাপনের আগে ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিরোধী দলের দাবির কথা তুলে ধরেন। বক্তব্য শেষে বিল উত্থাপনের পরবর্তী কার্যক্রমে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।
গতকাল সংসদে মূল উত্তেজনা শুরু হয় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের একটি সম্পূরক প্রশ্ন নিয়ে। তিনি অভিযোগ করেন, দিনে-দুপুরে অস্ত্র ব্যবহার করে ছিনতাই হচ্ছে। সংসদ সদস্যদের ওপর হামলা হচ্ছে, এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেখানে যাচ্ছেন, তাকে কেন্দ্র করে ভুয়া স্লোগান দেয়া হচ্ছে। বিরোধী দলের সদস্যের ওপর হামলার মামলায় আসামি গ্রেফতার না করে মিথ্যা মামলায় বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদক্ষেপ জানতে চান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রথম ১ মিনিট অমনোযোগী ছিলেন। তাই তিনি প্রশ্নটি আবার করার অনুরোধ করেন। পরে শফিকুল ইসলাম মাসুদ আবার প্রশ্নটি করেন।
জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শাহবাগ স্কয়ারে বক্তৃতা দেয়া আর পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেয়া এক কথা না।’ এ বক্তব্যে বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানান। তারা হইচই করতে থাকেন। অনেকে আসন থেকে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন।
এর আগে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো বুঝতে পারিনি।’ হাসনাতের প্রশ্নের জবাবের সময় কয়েকজন মৃদু আপত্তি জানালেও শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান বিরোধী দলের সদস্যরা।
বিরোধী দলের সদস্যদের আপত্তির মুখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি কাউকে উদ্দেশ্য করে বলেননি। তার পরও বিরোধী দলের সদস্যরা হট্টগোল করতে থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকারের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি আপনার শেল্টার (আশ্রয়) চাইছি।’
বিরোধী দলের হইচইয়ের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একপর্যায়ে জানান, তিনি তার বক্তব্য প্রত্যাহার করছেন। এর পরও বিরোধী দল প্রতিবাদ অব্যাহত রাখে। হট্টগোলের মধ্যে কথা বলতে না পেরে একপর্যায়ে বসে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অন্যদিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিরোধী দলের সদস্যদের বারবার বসার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার অনুরোধ করেন।
একপর্যায়ে স্পিকারকে বারবার বলতে শোনা যায়, ‘মাননীয় সদস্যবৃন্দ, হয়েছে তো, অনেকক্ষণ বলেছেন। এখন আপনারা অনুগ্রহ করে বসুন। অনুগ্রহ করে নিজের আসনে বসুন।’ কিন্তু বিরোধী দলের সদস্যরা কেউ স্পিকারের কথা আমলে না নিয়ে হইচই করতে থাকেন। স্পিকার তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা অনুগ্রহ করে নিজ নিজ আসনে বসুন। আপনাদের তো কথা বলার অনেক সুযোগ দিচ্ছি। এভাবে ঢালাও না বলে মাইকে বললে তো সবাই শুনতে পায়। আপনাদের সময় দেয়া হবে। যখন সুযোগ পাবেন মাইকে বলবেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও সামনের সারির নেতারা দাঁড়িয়েছেন। সামনের নেতারা দাঁড়ালে পেছনের সারির আপনারা দাঁড়াবেন না। আপনাদের নেতারা কী বলেন সেটা শোনার চেষ্টা করবেন। কথা বলার সুযোগ পাবেন। এটা তো আওয়ামী লীগ আমল না, আপনারা ইচ্ছেমতো সরকারকে ক্রিটিসাইজ করার সুযোগ পাচ্ছেন।’
বিরোধী দলের হইচইয়ের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবার বক্তব্য শুরু করেন। তখন স্পিকার তাকে তার (স্পিকার) দিকে তাকিয়ে বক্তব্য দেয়ার আহ্বান জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘কথা যদি বলতে না দেন, কীসের বাক্স্বাধীনতা।’ তখন স্পিকার বলেন, ‘আপনি উত্তর দেন।’ বিরোধী দলের সদস্যরা তখনো দাঁড়িয়ে হইচই করে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। তাদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘আপনারা কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে রাজি না? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর আমি বিরোধী দলের নেতাকে দেব।’
পরে হট্টগোলের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘কোথায় বিরোধীদলীয় কোন এমপির মামলায় আসামি গ্রেফতার হয়নি, কোথায় ছিনতাই হয়েছে, আসামি গ্রেফতার হয়নি, সেগুলো স্পেসিফিক হওয়া দরকার। হাওয়ার ওপরে বললেই হবে না। সেজন্য বলছি এটি জাতীয় সংসদ। বাইরের আলোচনা এখানে চলে না।’
এরপর বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানকে সুযোগ দেন স্পিকার। বক্তব্যের শুরুতে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাকে আগে সুযোগ দিলে ওনার (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) কথাটা শুনতে পেতাম।’ এ সময় সরকারি দলের সদস্যদের কেউ কেউ বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে কিছু বলতে থাকেন। তখন বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘বক্তব্য কি আপনি দেবেন, না আমি দেব? আপনি দেন।’
এ সময় স্পিকারের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এটা অশুভ। আমার বক্তব্যের সময় যদি এভাবে কমেন্টস করা হয়, তাহলে আমার এখানে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই।’ তখন স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে বক্তব্য চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি সম্মানিত সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, আজকে নতুন করে তিনি এ শব্দগুলো উচ্চারণ করেননি। সংসদ অধিবেশনে যেদিন থেকে বসা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই তিনি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন সবাইকে। উনি নিজেকে কী মনে করেন, আমি বুঝতে পারি না। এমনকি তিনি (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সেই দুঃসাহস এখানে দাঁড়িয়ে দেখিয়েছেন, তিনি বলেছেন যে এ সংসদে তিনি শিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা তার ছাত্র হওয়ার জন্য এখানে আসিনি। শিক্ষকতা করতে হলে তিনি একটা ইউনিভার্সিটি খুলুন, ওখানে যার পছন্দ গিয়ে ভর্তি হবে, ওনার লেকচার শুনবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ এবং তার বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করার দাবি জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এটুকু করা হলে বিরোধী দল সংসদ কক্ষে থাকবে, না হলে অপমান নিয়ে এখানে বসার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’ বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে সমর্থন জানান।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলন করার জন্য সবাই দায়িত্ব পালন করছি। সংসদ দেশের গর্ব। জনগণের প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা হয় কিছু আইন-কানুন, রীতি-নীতি অনুসারে। কার্যপ্রণালি বিধি অনুসরণ করা না হলে সংসদ কার্যকর থাকে না।’
স্পিকার বলেন, ‘আমি গভীর দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, ক্রমেই কিছু কিছু সদস্যের মধ্যে অসহিষ্ণুতা লক্ষ করছি। জাতীয় সংসদ পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এখানে প্রত্যেকেরই কথা বলার স্বাধীনতা আছে। বিরোধী দল সরকারি দলের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা করবে। সে সুযোগ আছে। আপনারা এটি করছেন, ভবিষ্যতেও করবেন। কিন্তু একজন মন্ত্রী যখন কথা বলেন তাকে তো কথা বলতে দিতে হবে। তিনি শেষ করলে আমি চাইলে পয়েন্ট অব অর্ডার দিতে পারি, আবার প্রশ্নোত্তর পর্ব তো রয়েছেই। সুতরাং কথা বলার সুযোগ ও স্বাধীনতা রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা দাঁড়িয়েছেন, তখন পেছন থেকে কয়েকজন দাঁড়িয়েছেন। তাদের তো বসানোই যায় না। সংসদ কথা বলার জায়গা, কথা ও যুক্তির মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পরীক্ষা করে অসংসদীয় কিছু থাকলে এক্সপাঞ্জ করা হবে জানিয়ে বিরোধী দলের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘কিন্তু কথা বলার স্বাধীনতা হরণ করবেন না। আপনারা যে কয়জন আছেন, তার দ্বিগুণ-তিন গুণ এ পাশে (সরকারি দলে) আছে। সুতরাং শব্দ করে এর বাণীকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমাকে সংসদ পরিচালনা করতে দিন।’
পরে বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকারের বক্তব্যের জবাবে বলেন, ‘আজকের বিষয়টা একবারে স্পষ্ট। এটা তো আর পরীক্ষা করে দেখার কোনো বিষয় নেই।’ স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শেষের দিকে কনক্লুশনে গিয়ে একটু বললেন যে এই দিকের চাইতে ওই দিকে তিন গুণ আছেন। এটা তো ভালো লাগল না। আমি এ সংসদকে কোনো গুণে বিভক্ত করার পক্ষে নই। আমরা প্রথম দিক থেকে বলেছি, ভালো কাজে আমরা সবাই এক হব। একসঙ্গে কাজ করব। অন্যায় কিছু হলে আমরা প্রতিবাদ করব।’
পরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন। তার বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ, আমি কিন্তু সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত। আজকে যেভাবে একে অন্যকে কথা বলার ক্ষেত্রে বাধা দেয়ার চেষ্টা লক্ষ করেছি, এটি সংসদের জন্য কোনো ভালো লক্ষণ নয়। অনেক কষ্টের পর গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে। এ গণতন্ত্র যাতে বহাল থাকে, সেজন্য সংসদের প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব এখানে রয়েছে।’
বিরোধী দলের ওয়াকআউট: গতকাল রাতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল তোলার আগে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে। বিল দুটি সংসদে উত্থাপনের আগ মুহূর্তে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আইন প্রণয়নের জন্য এখানে তিনটি বিল আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। দেশে নানা সমস্যা বিরাজ করছে। এসব নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সেটার জবাব পাননি।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আজকে আমাদের সামনে এখন তিনটা বিল এসেছে। সেগুলো আজকে অবশ্য আলোচনা হবে না, উত্থাপনের জন্য এসেছে। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে তার প্রক্রিয়াটা শুরু হবে।’
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সংসদ নির্বাচন অনুযায়ী, এর ফলাফল অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করা হয়েছে; কিন্তু গণভোটের জন্য সংস্কার পরিষদের সে সভা আহ্বান করা হয়নি। গণভোটের রায় মানানো হয়নি, উল্টো ১৩৩টা অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টা ল্যাপস (বাতিল) করে দেয়া হয়। এর মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন—এ মৌলিক বিষয়গুলো ছিল। এগুলো ঠিক না হলে ফ্যাসিবাদ থেকে দেশ মুক্তি পাবে না।’
সংসদকে ঠেলে একতরফাভাবে, একপেশে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে বিরোধীদলীয় নেতা জানান, তারা নীতিগতভাবে এ ধরনের বিলে অংশ নিতে চান না। শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি যে এর মাধ্যমে সংস্কারের যে মূল দাবি, সেটাকেই চাপা দেয়া হয়। তো আমরা সেই চাপা দেয়ার পক্ষে নই। সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে জোরালো ও স্পষ্ট অবস্থান আমাদের। আমরা এখান থেকে সরিনি। আমরা পুরা সংস্কার চাই, আমরা গণভোটের বাস্তবায়ন চাই এবং আমরা এভাবে খণ্ডিত কোনো প্রসেসের অংশ হতে চাই না, এজন্য আমরা এখন আর এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করব না। এ পর্বে আমরা সংসদ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আমরা আবার ওয়াকআউট করছি।’ পরে বিরোধী দলের সদস্যরা ওয়াকআউট করেন।










