মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী এস এম তারেকের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে তাকে চট্টগ্রামের হালিশহরের ঈদগাহ বউবাজার এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানসহ রাজনৈতিক নেতারা, নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা অংশ নেন।
জানাজা অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, মরদেহ দ্রুত দেশে আনার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। এ সময় তিনি সবাইকে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ করেন।
নিহত তারেকের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারেকের বাড়ি সন্দ্বীপের আজিমপুর ইউনিয়নে হলেও তারা নগরীর হালিশহরে ভাড়া বাসায় থাকেন। মৃত্যুর সময় তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা রেখে গেছেন। সরকার তার দাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং পরিবারের জন্য ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে। এছাড়া আরো ১০ লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যক্তিগতভাবে পরিবারটিকে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন এবং তারেকের মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছেন।
নিহত তারেক বাহরাইনের রাজধানী মানামার একটি জাহাজ নির্মাণ শিল্পে কর্মরত ছিলেন। গত ১ মার্চ রাতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জাহাজের ওপর পড়লে তিনি প্রাণ হারান। দীর্ঘ এক মাস পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। রাতেই মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ সকালে জানাজার আগে তার স্ত্রী, কন্যা ও স্বজনরা শেষবারের মতো মরদেহ দেখার সুযোগ পান।









