বাগেরহাট নার্সিং কলেজ নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের বাড়িতে গিয়ে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে বাগেরহাট শহরের হরিণখানা এলাকার জমির মালিক শেখ মো. মনিরুজ্জামান ও শেখ সুজানুর রহমানের হাতে ক্ষতিপূরণের টাকার চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শাহিন হোসেন, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মমতাজ বেগমসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। করোনাকালে কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ক্ষতিপূরণের চেক পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জমির মালিকরা।

জমির মালিক শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, অধিগ্রহণকৃত জমির টাকা পেতে অনেক সময় লাগে শুনেছি। আজ আমার সে ধারণা পাল্টে গেছে। একসঙ্গে ৩১ লাখ টাকা পেয়েছি। এ টাকা দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য কিছু একটা করতে পারব।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের করোনাকালে যাতে কোনো হয়রানিতে পড়তে না হয়, সেই লক্ষ্যে আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে চেক হস্তান্তর করছি। এর মাধ্যমে যেমন জমির মালিকরা হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন, তেমনি ভূমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে দালালচক্রও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকদের এভাবেই ক্ষতিপূরণের অর্থ দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

বাগেরহাট নার্সিং কলেজ নির্মাণের জন্য পৌরসভার হাঁড়িখালি মৌজায় ২ একর ৯২ শতক জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৩৪ জন মালিককে ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৪৫২ টাকা প্রদান করার প্রক্রিয়া চলছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল শেখ মো. মনিরুজ্জামানকে ৩১ লাখ ১৯ হাজার ২৫৭ টাকা ও শেখ সুজানুর রহমানকে ৩১ লাখ ৮৪ হাজার ৩০৯ টাকার চেক দেয়া হয়েছে।