ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি সংস্থা ‘সোচ্চার’-এর করা চারদলীয় প্রধানের আসনের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল বিকালে রাজধানীর বিডিবিএল ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. শিব্বির আহমদ ফলাফল প্রকাশ করেন।
এর মধ্যে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির পক্ষে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের ডা. এসএম খালিদুজ্জামান, ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপির পক্ষে শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হক, বিএনপির পক্ষে ববি হাজ্জাজ ও ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিএনপির পক্ষে এমএ কাইয়ুম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ঢাকা-১৭ আসনের প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, তারা তারেক রহমানকে ভোট দিতে চান এবং ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা জামায়াতের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে ভোট দিতে চান। ১৫ দশমিক ১ শতাংশ ভোটার কাকে ভোট দেবেন সে তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি আর ১০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নেননি।
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে চান বলে জানিয়েছেন। আর বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টনকে ভোট দিতে চান ৩০ শতাংশ ভোটার। ১২ দশমিক ১ শতাংশ তাদের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করতে চাননি এবং ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি।
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ববি হাজ্জাজকে ৩৬ দশমিক ৮ শতাংশ আর মাওলানা মামুনুল হককে ৩৪ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে চান। ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ ভোটার তাদের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করতে চাননি এবং ১০ দশমিক ১ শতাংশ এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি।
ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলামকে ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ ও এমএ কাইয়ুমকে ৩৭ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে চান। ৬ দশমিক ৪ শতাংশ তাদের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করতে চাননি আর ৯ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি।










