পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের অনুসারী বরিশাল জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন একাংশের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান সুমন মোল্লাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং ৩৫ জনকে অজ্ঞাতনামা করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় সোমবার রাতে মামলা করেন আহত সুমনের মা সেতারা বেগম।

এ ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান মাসুমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন। তিনি জানান, অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার বাদী সেতারা বেগম জানান, রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড দখলে নিতে সিটি করপোরেশনের মেয়রের অনুসারীরা সোমবার ইফতারের কিছুক্ষণ আগে আমাদের বাড়িসহ মোট তিনটি ঘরে হামলা চালায়।

 এ সময় আমার ছেলে সুমন মোল্লাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপায়। তাকে বাঁচাতে আল আমিন এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। সুমনের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সুমনের স্ত্রী আইরিন বলেন, মেয়র সাদিকের নির্দেশে তার স্বামীর ওপর হামলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বরিশালের রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে সোমবার ইফতারের আগে রূপাতলীসংলগ্ন বসুন্ধরা হাউজিংয়ে সুমন মোল্লার বাড়িতে এ হামলা চালানো হয়।