স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বিদ্যুৎ বিল ওঠার অভিযোগ ও সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স যশোরের সহকারী পরিচালক। রোববার দুপুরে জেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের কাছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা এ তোপের মুখে পড়েন। নানা সময়ে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ ও নোটিস ছাড়াই সরকারি দপ্তরগুলোর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় সভায় উপস্থিত সদস্যরা সমিতির উপমহাব্যবস্থাপককে শাস্তির আওতায় আনার দাবি তোলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার। জানা গেছে, গত জুনে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া, কচুয়া ও নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রায় ১৫ হাজার টাকা বিল বকেয়া ছিল। বিল বকেয়া থাকায় চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কোনো নোটিস ছাড়াই এসব অফিসের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হয়। বিষয়টি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উত্থাপন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিপন বিশ্বাস। এরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স যশোরের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘‌বেনাপোল অফিসে গত জুনে এসেছে ৭৫ হাজার টাকা। হঠাৎ করে এত টাকার বিল অর্থ দপ্তরে প্রেরণ করা হলে তারাও এ বিলের প্রতি অনাপত্তি জানাতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আমরা জটিলতায় রয়েছি।’এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার বলেন, ‘সরকারি দপ্তর একে অন্যের পরিপূরক। সরকারি দপ্তরগুলোর বিল পরিশোধ নিয়ে কঠোর হলে জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। ইউনিয়ন ভূমি অফিস বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দেয়া ঠিক হয়নি।