ভূমিকম্পের মতো আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবেলায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় সরকারের নির্দেশে এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হচ্ছে।
গতকাল রাজধানীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘ভূমিকম্প কোনো আগাম বার্তা না দিয়ে হঠাৎ আঘাত হেনে একটি পুরো এলাকা ধ্বংস করে দিতে পারে। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় এখানে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের সংকট তৈরি হয়। এসব দুর্যোগে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি। এজন্য প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রয়োজনের সময় তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, ‘সঠিক প্রশিক্ষণ একজন মানুষকে নির্দিষ্ট কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে তোলে। দুর্যোগের সময় ডাক পাওয়ামাত্রই প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা মানবতার সেবায় এগিয়ে আসবেন।’
তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশিক্ষিত জনবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি করা হচ্ছে।’
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।










